কার সাথে বিয়ে হবে জানার আমল
কার সাথে বিয়ে হবে জানার আমল জানতে চান ? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। বিয়ে একটি পবিত্র বন্ধন। এর মাধ্যমে ২ জন অপরিচিত মানুষ একে অপরের সাথে মিলিত হয় বৈধভাবে। অনেক ছেলে-মেয়ে আছে যাদের বয়স হয়ে যায় কিন্তু বিয়ে হয় না।
পোস্টসূচীপত্রঃ- অনেক ক্ষেত্রে এমনও হয়, একাধিক বিয়ের প্রস্তাব আসছে কিন্তু কাকে বিয়ে করলে কল্যাণ হবে ? এরকম সিদ্ধান্তহীনতায় ভূগছেন তারা এই আর্টিকেল থেকে পরীক্ষিত কার সাথে বিয়ে হবে জানার আমল জানতে পারবেন।
কার সাথে বিয়ে হবে জানার আমল
যারা বিয়ে করতে চান তাদের কার সাথে বিয়ে হবে জানার আমল সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা দরকার। মহান আল্লাহ পৃথিবী সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর পূর্বে মানুষের ভাগ্য লিপিবন্ধ করে রেখেছেন। ঐ মানুষ যখন তার মায়ের গর্ভে আসে পুনরায় তার ভাগ্য লিপিবন্ধ করা হয়। অনেকে কৌতূহলবশত কার সাথে বিয়ে হবে জানার আমল জানতে চায়। দেখুন, তাকদীরে জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে-শাদী, ঘটনা-অঘটনা সমস্ত বিষয় লিপিবদ্ধ করা হয়। মুসলিম হিসেবে আমাদের কাজ হলোঃ- তাকদীর এবং আমলে বিশ্বাসী হওয়া।
ইসলামে বিয়ের গুরুত্ব অনেক। এর মাধ্যমে একটি পরিবার তৈরি হয়, মুসলিম উম্মাহ গঠন হয়। কাজেই, বিয়ের ক্ষেত্রে আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আবার আমাদের এটিও মাথায় রাখতে হবে তাকদীর পরিবর্তন হয় দোয়া এবং আমলের মাধ্যমে। যদি এমন হয় আপনার নিকট একাধিক বিয়ের প্রস্তাব আসছে, আপনি কোন প্রস্তাব গ্রহণ করবেন বুঝতে পারছেন না, এই অবস্থায় আপনিঃ-
- ইস্তেখারার আমল করতে পারেন।
ইস্তেখারার মাধ্যমে আপনি একটা অনুমান করতে পারবেন কোন প্রস্তাব আপনার জন্য কল্যাণ ও বরকতময় হবে। ইস্তেখারার কিভাবে করতে হয় ? ইস্তেখারার দোয়া কি ? এ বিষয়ে গুগলে অথবা ইউটিউবে সার্চ দিলে পেয়ে যাবেন। সর্ববস্থায় উত্তম জীবনসঙ্গি পাওয়ার জন্য আমাদের দোয়া প্রতিনিয়ত করে যেতে হবে। মূলত, যে দোয়া করে সেই পায়, যে দোয়া করে না সে পায় না। আশা করি এতক্ষণে
আপনি কার সাথে বিয়ে হবে জানার আমল জেনে গেছেন।মুসলিম হিসেবে ভাগ্যে আমাদের বিশ্বাসী হতে হবে। “ ভাগ্যে যা আছে তাই হবে, দোয়া ও আমলের প্রয়োজন নেই ” এমন মতবাদে বিশ্বাসী হওয়া যাবে না। মনে রাখবেন দোয়া এর মাধ্যমে আল্লাহ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করেন। ইসলামিক শিক্ষা আমাদের দোয়া এবং আমলে মনোযোগী হওয়ার উপদেশ দিয়েছে।
বিয়ে হওয়ার জন্য পরীক্ষিত যে আমল গুলো করতে পারেনঃ-
- তাহাজ্জুতের নামাজ এবং ৫ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত পড়বেন
- ইস্তেগফার ( অধিক হারে আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন )
- দরুদ শরীফ পড়ুন
- লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পড়ুন
- লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন পড়ুন
- ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম বিরাহমাতিকা আস্তাগিছ পড়ুন
- ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম পড়ুন
- সূরা বাকারাহ পড়ুন
- সূরা ইয়াসিন পড়ুন
এই আমলা গুলো করলে শুধু বিয়ে নয়, যে কোন বিপদ, আপদ, মুসিবত, সংকট, অভাব, অনটন, দারিদ্রতা থেকে আল্লাহ আপনাকে উদ্ধার করবে। এই আমলের দ্বারা যে কোন সংকট থেকে মহান আল্লাহ আপনাকে বের হওয়ার পথ তৈরি করে দিবে।
জন্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে
ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে জন্ম তারিখের সাথে বিয়ের কোন সম্পর্ক নেই। জন্ম তারিখের সাথে বিয়ে কে মেলানো এটা ইসলাম বহির্ভূত একটি কাজ। ইসলাম বিয়ে কে সহজ করেছে। যারা অ-মুসলিম তারা তাদের সন্তানকে বিয়ে দেওয়ার সময় জন্ম তারিখ মিলিয়ে থাকে। যেহেতু আমরা মুসলিম তাই উত্তম জীবনসঙ্গি নির্বাচনে আমরা দোয়া এবং আমল বেশি বেশি করব, সাথে তাকদ্বীরে বিশ্বাসী হব। আশা করি পুরো আলোচনা থেকে জন্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে ? এই ভ্রান্ত ধারণা দূর হয়েছে।
কার সাথে কার বিয়ে হবে হাদিস
কার সাথে কার বিয়ে হবে হাদিসে এ ব্যাপারে সরাসরি কোন তথ্য দেওয়া নাই। যেমনঃ- আমার/আপনার বিয়ে কার সাথে হবে এ ব্যাপারে হাদিসে কিছু বলা নাই। কার সাথে কার বিয়ে হবে এটা মহান আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে, মানুষ দুনিয়াতে গিয়ে কি করবে না করবে এটা মহান আল্লাহ জানেন বিধায় তিনি মানুষের ভাগ্যে লিখে রেখেছেন।
কার সাথে কার বিয়ে হবে তা কি জন্মের আগেই নির্ধারিত
কার সাথে কার বিয়ে হবে তা কি জন্মের আগেই নির্ধারিত ? এরকম নানান প্রশ্ন আমাদের মাথায় ঘুরপাক খায়। আমরা যে ভাল/খারাপ কাজ করি তা ভাগ্যে লেখা ছিল বিধায় ঘটছে নাকি আমরা নিজেরাই ঘটাচ্ছি। এগুলো হচ্ছে লজিকেল প্রশ্ন এবং বেশ জটিল টাইপের। আমি উদাহারণের মাধ্যমে কার সাথে কার বিয়ে হবে তা কি জন্মের আগেই নির্ধারিত ? এ বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করছি
উদাহারণঃ- ধরুণ, আপনি একজন শিক্ষক। আপনার ১০ জন শিক্ষার্থী আছে। আপনি পরীক্ষার আগে অনুমান করলে রফিক গণিতে ৭০ পাবে, শিহাব গণিতে ৫০ পাবে, করিম গণিতে ৮০ পাবে, জামাল গণিতে ফেল করবে। সবাই পরীক্ষা দিল আপনি যা অনুমান করলেন তাই ঘটল। এই যে জামাল গণিত
পরীক্ষায় ফেল করল, আপনি শিক্ষক অনুমান করেছেন এজন্য জামাল ফেল করল নাকি জামাল গণিতে অ-মনোযোগী ছিল বা গণিত ঠিকমতো করতো না এই কারণে ফেল করেছে। দোষটা কার ? নিশ্চয় শিক্ষার্থী জামালের দোষ, সে গণিতে অমনোযোগী ছিল এবং অংক ঠিক মতো করত না। আপনি শিক্ষক শিক্ষার্থদের পড়িয়েছেন, কোন শিক্ষার্থী কেমন রেজাল্ট করতে পারে আপনি সে বিষয়ে পূর্ব থেকে অবগত ছিলেন।
আরো পড়ুনঃ- মসজিদে বিয়ে করা কি সুন্নত - বিয়ে করা কি ফরজ
অনুরুপভাবে মহান আল্লাহ তার সৃষ্টির ব্যাপারে অবগত। তিনি মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রত্যেক ঘটনা সম্পর্কে খবর রাখেন। আপনি কাকে বিয়ে করবেন মহান আল্লাহ তা জানেন বিধায় তিনি আপনার ভাগ্য লিপিতে লিখে রেখেছেন। ভাগ্য লিখেছেন আল্লাহ, পরিবর্তন করবেনও আল্লাহ। ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব দোয়া এর মাধ্যমে। আপনি যদি খুব বেশি দোয়া করেন এবং হালাল উপায়ে চেষ্টা করেন তাহলে আল্লাহ আপনার ভাগ্য পরিবর্তন করে দিবেন।
আবার এই বিষয়ে আপনাকে মাথায় রাখতে, আপনি শত চেষ্টা করলেও যদি সেটা ( বিয়ে ) আপনার ভাগ্যে না থাকে আপনি তা পাবেন না বা হবে না। কার সাথে কার বিয়ে হবে এটা জন্মের আগেই নির্ধারিত, এটাই ঠিক। আপনার কাজ হচ্ছে, ভালো পাত্র বা পাত্রি অনুসন্ধান করা এবং দাম্পত্য জীবন সুখী হওয়ার জন্য অধিকহারে দো’আ করা।
বিয়ে কি পূর্ব নির্ধারিত নাকি কর্মফল
বিয়ে পূর্ব নির্ধারিত এবং ভাগ্যে লিপিবদ্ধ একটা বিষয়, তবে এটা পরিবর্তনশীল। আল্লাহ দো’আ এর মাধ্যমে এটা পরিবর্তন করে দেন। “ কার সাথে কার বিয়ে হবে তা কি জন্মের আগেই নির্ধারিত ? ” এই বিষয়ে আগের প্যারাতে আমি বিস্তারিত আলোচনা করেছি। যে যেরকম তার জীবন সঙ্গি ওইরকম এটা কতটুকু সঠিক ? বিয়ে কি কর্মফল ? উত্তর হলোঃ- ফেরাউনের মতো জালেমের ঘরে আছিয়া ( আঃ )
মতো পূত-পবিত্রা নারী সংসার করেছেন। তাই বলে কি আমরা নিজেরাও ফেরাউনের মতো জালেম হব ? নিশ্চয় না । আমরা আল্লাহর অনুগত বান্দা হব, উত্তম জীবনসঙ্গি পাওয়ার জন্য বেশি বেশি দো’আ করা করব এতটুকু আমাদের কাজ। আশা করি পুরো আলোচনা থেকে বিয়ে কি পূর্ব নির্ধারিত নাকি কর্মফল সেই বিষয়ে সঠিক ধারণা পেয়েছেন।
বিয়ের তারিখ কি আল্লাহ আগেই ঠিক করে রেখেছেন
বিয়ের তারিখ কি আল্লাহ আগেই ঠিক করে রেখেছেন ? এটা নিয়ে গবেষণা করা অথবা অপেক্ষায় থাকা এটা আমাদের কাজ নয়। মহান আল্লাহর রয়েছে ইলমে গায়েব। মহান আল্লাহর ইলম এবং বান্দার ইলম এক নয়। নিজে কাজ না করে ভাগ্যের উদাহারণ দিয়ে চুপচাপ বসে থাকা ইহা নিন্দনীয় কাজ। সব কিছুতে তাকদীর কে দলিল হিসেবে পেশ করা যাবে না। যদি কোন নর-নারী বিয়ের জন্য সম্মতি প্রকাশ
আরো পড়ুনঃ- সূরা ইয়াসিন ৫৮ নং আয়াত ফজিলত কি জেনে নিন
করে এবং তারা বিযের দিন ঠিক করে সেটা হবে তাদের কর্মফল। আল্লাহ মানুষের ভবিষ্যৎ কর্ম সম্পর্কে অবগত আছেন বিধায় তিনি কলমকে নির্দেশ দিলেন, কলম তা লিখে রাখল। মহান আল্লাহর ইলম নিয়ে আমাদের গবেষণার প্রয়োজন নেই, কারণ সেই জ্ঞান তো বান্দার নেই। আমাদের কাজ হলো তাকদিরকে বিশ্বাস করা এবং কর্মসূচী হাতে নেওয়া সে অনুযায়ী কাজ করা, ভালো কাজে মনোযোগী হওয়া।
প্রেম করে বিয়ে কি ভাগ্যে লেখা থাকে
আমরা কর্মকান্ড সম্পর্কে মহান আল্লাহ অবগত। উদাহারণস্বরুপঃ- আপনি নিজে ইচ্ছা করে চাকু দিয়ে হাত কাটবেন আর যদি বলেন যে, ভাগ্যে লেখা ছিল তাই হাত কেটে গেছে। এখন প্রশ্ন হলোঃ- এই যে আপনি হাত কাটলেন এটা ভাগ্যের দোষ নাকি নিজের দোষ। মহান আল্লাহ আপনার এই অপকর্মের ব্যাপারে অবগত ছিলেন। তিনি জানতেন আপনি এই কাজ করবেন। আপনার এই অপকর্ম পৃথিবী সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর আগেই তিনি তালিকাভূক্ত করেছেন।
আরো পড়ুনঃ- চক্ষু শীতলকারী স্ত্রী পাওয়ার দোয়া - ৭ দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল
তদরুপ আপনি যদি প্রেম করে বিয়ে করেন এটা আপনার কর্মফল। ইসলামে প্রেম করে বিয়ে এটা শরীয়াহ বিরোধী একটি কাজ। কাজেই, এখানে ভাগ্যে বা তাকদির কে দোষ দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। মানুষ যে স্বর্গ অথবা নরকে যাবে এটা কর্মফলের কারণে, ভাগ্যের কারণে নয়। সুতারাং, প্রেম করে বিয়ে কি ভাগ্যে লেখা থাকে ? এটা সম্পূর্ণ ভূল প্রশ্ন। আশা করি এতক্ষণে বুঝে গেছেন।
প্রেম করে বিয়ে করলে কি হয়
শুরুর দিকে প্রেম এটা মানুষকে খানিক বিনোদন দিলেও পরবর্তী সময় এটা তার জন্য গজব হয়ে আসে। প্রেমের সময় মানুষ একে অপরের সাথে অভিনয় করে, রঙিন স্বপ্ন দেখায় এবং একে অপরকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়। পরবর্তী সময়ে যখন তারা বিয়ে করে যখন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করতে ব্যর্থ হয় তখন সাংসারিক জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। মানসিক অশান্তি, শারীরিক অত্যাচার, ঝগড়া, আত্নহত্যা
পর্যন্ত ঘটে যায়। সমাজের বাস্তব চিত্র দেখলে আমাদের জ্ঞানের জায়গা আরও সম্প্রসারিত হবে যেমনঃ- ৫ বছর প্রেম করে ৫ মাসও সংসার ঠিকে না আবার এমনও আছে যারা সরাসরি বিয়ের মাধ্যমে সাংসারিক জীবন শুরু করেছে তারা ২০/৩০/৪০/৫০/৬০ বছর ধরে সংসার করছে। মূলত যারা প্রেম করে বিয়ে তাদের ডিভোর্সের হার সব থেকে বেশি বর্তমানে। কাজেই, সরাসরি বিয়ের মাধ্যমে দাম্পত্য জীবন শুরু করা উচিত।
আমার বিয়ে কবে হবে - আমার কার সাথে বিয়ে হবে - আমার বিয়ে কোথায় হবে
ভবিষ্যৎ সংশ্লিষ্ট যে কোন ধরণের তথ্য আল্লাহ ভালো জানেন। যাদের দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে হচ্ছে না তারা আমার বিয়ে কবে হবে - আমার কার সাথে বিয়ে হবে - আমার বিয়ে কোথায় হবে এই সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন গুলো করে থাকেন। “ কার সাথে বিয়ে হবে জানার আমল ” নিয়ে উক্ত পর্বে আমি বিস্তারিত আলোচনা করেছি। পাশাপাশি দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য যে আমল গুলোর কথা এই আর্টিকেলের প্রথম প্যারাতে তুলে ধরেছি সেগুলোর উপর আমল করুন। আশা করি আপনার বিয়ে খুব দ্রুত সম্পন্ন হবে।
কার সাথে বিয়ে হবে জানার আমল ( FAQ )
1) গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে
উত্তরঃ- গুগল হলো সার্চ ইঞ্জিন। সার্চ ইঞ্জিন তো বলতে পারবে না আপনার বিয়ে কবে হবে।
2) আমার বিয়ে কার সাথে হবে তার ছবি দেখাও
উত্তরঃ- এই ছবি ইন্টারনেটে পাওয়া যাবে না। যদি আপনি ইন্টারনেটে ছবি পাবলিশ করবেন তবেই পাওয়া যাবে। যার সাথে বিয়ে তার ছবি অফলাইন থেকে নিতে হবে নতুবা ফেসবুক আইডি নিতে হবে।
3) আমার বিয়ে কার সাথে হবে তার ফেসবুক আইডি
উত্তরঃ- যার সাথে আপনার বিয়ে ঠিক হবে তার কাছ থেকে ফেসবুক আইডি চেয়ে নিতে হবে।
4) বিয়ে কি পূর্ব নির্ধারিত ইসলাম কি বলে
5) বিয়ে কি তাকদিরে লেখা থাকে
লেখকের মন্তব্য - কার সাথে বিয়ে হবে জানার আমল
সম্মানিত পাঠকবৃন্দ, আমি এই আর্টিকেলে কার সাথে বিয়ে হবে জানার আমল নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করেছি। আশা করি এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন। তাকদীর এবং কর্ম এই ২টি বিষয়ের মধ্যে আশা করি আপনি পার্থক্য খুঁজে পেয়েছেন। এই ধরণের ইসলামিক কনটেন্ট গুলো বিভিন্ন সোর্স থেকে রিসার্চ করে আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।
ইসলামিক যে কোন ধরণের তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত ভিজিট করুন। সকলের কল্যাণ কামনা করে এখানে শেষ করছি, আসসালামু আলাইকুম। 07.02.2026

আপনি পদ্মা মেইলের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url