চুলকানির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম - চুলকানির ঔষধের নাম স্কয়ার
চুলকানির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম - চুলকানির ঔষধের নাম স্কয়ার সম্পর্কে আজকের এই আর্টিকেলে বিস্তারিত বর্ণনা করা হবে। শরীরের চামড়ায় চুলকানি যে কতটা অস্বস্তিকর যাদের হয় তারাই ভালো বলতে পারে। আজকের এই আর্টিকেল থেকে চুলকানি বা চর্মরোগ সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন যাবতীয় উত্তর জানতে পারবেন।
পোস্ট সূচীপত্র:নিয়ম তান্ত্রিক জীবন যাপন এবং সঠিক ঔষধ সেবনের মাধ্যমে আমরা এই চুলকানির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি। যারা চুলকানি রোগের কারণে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন তাদের জন্য এই আর্টিকেলটি গুরুত্বপূর্ণ।
চুলকানির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম
চুলকানির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম জানলে হবে না সাথে এই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধগুলো কখন খাবে, কিভাবে খাবে, এই পরামর্শ গুলো একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছ থেকে নিতে হবে। কারণ, অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধগুলো ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক গ্রহণ না করলে এটি আপনার স্বাস্থ্য ঝুঁকি
বাড়িয়ে দিতে পারে, এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসি থেকে কোনভাবে এন্টিবায়োটিক ওষুধ ক্রয় করবেন না। আমি শুধু আপনাদের জানার স্বার্থে কয়েকটি চুলকানির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম এর তালিকা তুলে ধরছি। সেগুলো হলো:
- Clarithromycin ( ক্ল্যারি-থ্রো-মাইসিন )
- Flucloxacillin ( ফ্লুক্লক্সা - সিলিন )
- Cephalexin ( সেফা-লেক্সিন )
- Doxycycline ( ডক্সি-সাইক্লিন )
- Amoxicillin ( অ্যামোক্সি-সিলিন )
এই এন্টিবায়োটিক ওষুধগুলো সেবন করলে কিছু কিছু শারীরিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যেমন: মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, ঘুম ঘুম ভাব, খাদ্য হজম না হওয়া, পেট ফাঁপা ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট সমস্যা গুলো দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক ওষুধ সেবন করা চরম লেভেলের বোকামি। এজন্য সর্বশেষ পরামর্শ আপনারা একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই এন্টিবায়োটিক ওষুধ গ্রহণ করুন।
চুলকানির ঔষধের নাম স্কয়ার
এতক্ষণ আমরা চুলকানির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম জানলাম। এখন জানবো চুলকানির ঔষধের নাম স্কয়ার কোম্পানির। বাংলাদেশে জনপ্রিয় ঔষধ কোম্পানি হল স্কয়ার। বিভিন্ন রোগের ঔষধ এই স্কয়ার কোম্পানি থেকে সরবরাহ করে। তার মধ্যে একটি হলো চুলকানি রোগ। স্কয়ার কোম্পানির বেশ কয়েকটি চুলকানি রোগের ওষুধ রয়েছে। সেগুলো হলো:
- Neosporin ( antibiotic cream )
- Emovate ( steroid cream )
- Anti fungal cream
- Histacin ( tablet + syrup )
- Dermex cream ( steroid cream )
এই ওষুধগুলো কখনো নিজে ফার্মেসি থেকে ক্রয় করে ব্যবহার করবেন না। আগে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। ডাক্তার আপনার শারীরিক হিস্ট্রি বিবেচনা করে আপনার জন্য ওষুধ নির্ধারণ করবে। চুলকানি রোগের জন্য ডাক্তার কর্তৃক নির্ধারিত ওষুধ হবে আপনার রোগ নিরাময়ের একমাত্র উপায়।
চর্ম রোগের মলমের নাম
চুলকানির জন্য যেমন এন্টি-বায়োটিক ঔষধ পাওয়া যায় অনুরুপভাবে চুলকানির জন্য মলমও পাওয়া যায়। অনেকে চর্ম রোগের মলমের নাম জানে না। এখন আমরা চুলকানির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম জানারা পাশাপাশি মলমের নাম জানব। সেগুলো হলোঃ-
- লোকাজল ( Lucazol ) ক্রিম ( Cream )
- কম্বাইসিড ( Combicid ) ক্রিম ( Cream )
- টপিকর্ট ( Topicort ) ক্রিম ( Cream )
- কম্বিডার্ম ( Combiderm ) ক্রিম ( Cream )
চর্মরোগ কি
সাধারণ ভাষায়, ত্বকের যেকোনো ধরনের সমস্যা বা রোগ কে আমরা চর্মরোগ বলে থাকি। এখন যদি আপনার মাথার চুলে সমস্যা হয় অথবা হাত/পায়ের নখে সমস্যা হয় এগুলোকেও ডাক্তারি ভাষায় চর্মরোগ বলা হয়। চর্মরোগ কে আমরা গুরুত্ব না দিলেও বর্তমানে মেডিকেলে মেডিকেলে হাজার হাজার রোগী ডাক্তারি চিকিৎসার জন্য সিরিয়াল ধরে অপেক্ষা করছে। চর্মরোগ কে আমাদের সিরিয়াস ভাবে
আরো পড়ুনঃ- তেলাকুচা গাছের শিকড় খেলে কি হয় - গর্ভাবস্থায় তেলাকুচা পাতার উপকারিতা
নিতে হবে। হালকা ভাবে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। চর্মরোগ এড়াতে জীবন যাত্রার মানের মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে এবং প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। চর্মরোগের ক্ষেত্রে সাধারণত ত্বক চুলকানি, চুলকানো স্থান শক্ত হয়ে যাওয়া, শরীরে ব্যথা অনুভব হওয়া, ত্বক জ্বালা-পোড়া করা, ব্রণ হওয়া, আক্রান্ত স্থান হতে পুঁজ বের হওয়া এই জাতীয় সমস্যা গুলো হয়ে থাকে।
চর্ম রোগের নাম
প্রিয় পাঠকবৃন্দ চর্ম রোগের কয়েকটি শ্রেণী রয়েছে। আসুন চর্মরোগের নাম গুলো জেনে নেওয়া যাকঃ-
- একজিমা
- ব্রণ
- এনজিওমা
- আমবাত
- ইম্পোটিগো
চর্মরোগ কি কারনে হয়
আমি এই আর্টিকেলে চুলকানির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম এর তালিকা নিয়ে আলোচনা করলাম। ওষুধ ছাড়াও চর্মরোগ বা চুলকানি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এজন্য সবার আগে আমাদের জানতে হবে চর্মরোগ কি কারনে হয় ?
- টাইট-ফিটিং পোশাক পরিধান করার কারণে এমন সমস্যা হতে পারে।
- অতিরিক্ত গরম খাদ্য খেলে
- ব্যবহৃত সাবানে যদি সোডার পরিমাণ বেশি হয় তাহলে এমনটা হয়।
- অতীতে আপনার চর্মরোগ জনিত সমস্যা হয়েছে, এখন যদি আপনি অন্য কোন ওষুধের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খান তাহলে এই ধরনের সমস্যা হতে পারে।
- দেহ থেকে নির্গত ঘাম এবং ধুলাবালি যখন একসঙ্গে ত্বকে বাসা বাঁধে তখন চুলকানি জাতীয় সমস্যা গুলো হয়ে থাকে।
- প্রচণ্ড রোদে বাহিরে ঘোরাফেরা অথবা কাজকর্ম করলে।
- নারীদের অ-নিয়মিত পিরিয়ড এর কারণে
- যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি তাদেরও এই জাতীয় সমস্যা গুলো হতে পারে।
- দেহের রক্তের যদি কোন দোষ থাকে
- ধূমপান করা, দুশ্চিন্তা, অ-স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের কারণেও হতে পারে
কি খেলে চর্মরোগ ভালো হয়
যারা ত্বকের জটিলতায় ভুগছেন তাদের খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তন করাটা অনেক জরুরী। এতে আপনার ত্বকের জ্বালা-পোড়া কমবে, ত্বকের প্রদাহ দূর হবে। অনেকে ইন্টারনেটে সার্চ করে জানতে চান কি খেলে চর্মরোগ ভালো হয় ? সেই বিষয়ে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।
খাদ্য-অভ্যাসঃ-
- সবুজ জাতীয় শাক-সবজি বেশি করে খান।
- সবুজ ফল বা মৌসুমী ফল গুলো খাদ্য তালিকায় যুক্ত করুন।
- বিশেষ খাবার যেমনঃ- ( হলুদ, আনারস, মৌরি, টক জাতীয় ফল, রসুন, কুমড়ার বীজ, আখরোট, চিয়া বীজ, স্যামন মাছ, আদা, মধু, পেয়াজ )
সর্তকবার্তাঃ-
- অতিরিক্ত পরিমাণে দুগ্ধ জাতীয় কোন কিছু খেলে চর্মরোগ বাড়তে পারে। তবে হালকা পরিমাণে খেতে পারেন। এর মাঝে লক্ষ্য রাখতে হবে চুলকানি জাতীয় সমস্যা গুলো বাড়ছে কিনা ?
- চিনি দেহের জন্য বিপদজনক। সেটা হতে পারে ডায়াবেটিস, হতে পারে চর্মরোগ। কাজেই যাদের চুলকানি জাতীয় সমস্যা রয়েছে তারা চিনি কম খান অথবা ত্যাগ করুন।
- মসলা বা ঝাল জাতীয় খাদ্য ত্যাগ করুন। এগুলো ত্বকের জটিলতা কে বাড়িয়ে দিতে পারে।
- বেগুন, চিংড়ী, টমেটো, পুঁইশাক, সাদা-আলু এই জাতীয় খাদ্য গুলো ত্যাগ করুন বা কমিয়ে দিন।
- লাল মাংসের ( গরু, ছাগল, ভেড়া ) পরিবর্তে সাদা মাংস ( মুরগি ) খাদ্য তালিকায় রাখুন।
- যাদের কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে তারা কমিয়ে ফেলুন অথবা বাদ দিন। তরকারিতে লবণ কম খান।
- পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অনুসরণ করুন - স্বাস্থ্য বিধি মেনে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের অভ্যাস করুন - ক্ষার যুক্ত সাবান/শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না - প্রতিদিন গোসল করা স্বাস্থ্যকর অভ্যাস এগুলো অনুসরণ করুন। চর্মরোগ কি কারনে হয় এই বিষয়ে উপরের পর্বে আলোচনা করেছি। বিষয় গুলো মাথায় রাখুন।
চর্মরোগ হলে কি কি খাওয়া নিষেধ
মূলত এলার্জির প্রকোপ থেকে চর্ম রোগের উৎপত্তি হয়ে থাকে। এজন্য আমাদের এলার্জি জাতীয় খাবার গুলো ত্যাগ করতে হবে। চর্মরোগ হলে কি কি খাওয়া নিষেধ আসুন জেনে নেওয়া যাক।
- মাছ জাতীয় ( চিংড়ী, কাঁকড়া, টুনা মাছ )
- বাদাম জাতীয় ( কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, কাজু বাদাম )
- দুগ্ধ জাতীয় ( দই, দুধ, পনির, দুধ দিয়ে তৈরি খাবার )
- হাসের মাঁংস
- মসুর ডাল
- গমের রুটি
- ডিম
- চালের আটা কম খাওয়া
- সয়াবিন
- লাল মাংস
- চিনি
- মসলা জাতীয় খাদ্য
- কলা
- ড্রাগস সেবণ
এই জাতীয় কিছুদিন দূরে থাকতে হবে। তাহলে চর্মরোগ জাতীয় সমস্যা গুলো থেকে আশা করি মুক্তি পাবেন।
চর্ম রোগের লক্ষণ
সুনিদিৃষ্ট কিছু চর্ম রোগের লক্ষণ রয়েছে। সেই লক্ষণ গুলো আপনার মাঝে উপস্থিত হয় তাহলে বুঝবেন আপনি চর্ম রোগ দ্বারা আক্রান্ত হতে পারেন। লক্ষণ গুলো জানা থাকলে আপনি দ্রুত প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। সেগুলো হলোঃ-
- ত্বকে ব্যথা অনুভব হওয়া
- ত্বক চুলকানোর কারণে ত্বকের চামড়া উঠে যাওয়া
- ত্বকে ব্রণ বা ফুসকুড়ির মতো দেখা দেওয়া
- ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়া
- ত্বক লাল বর্ণের হয়ে যাওয়া
- ত্বকে ক্ষত সৃষ্টি হওয়া
- ত্বক চুলকানোর পানি নির্গত হওয়া
- ত্বক ফুলে যাওয়া, জ্বালাপোড়া অনুভব হওয়া
চর্ম রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
চর্মরোগ নির্মূলে কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা রয়েছে। আশা করি চর্ম রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করলে অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। ঘরোয়া পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করলে মারাত্নক লেভেলের স্কিন ডিসিজ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি গুলোর মধ্যে অন্যতম হলোঃ-
1) অ্যালো-ভেরা এর ব্যবহার
- অ্যালোভেরার রস ক্ষত স্থানে লাগিয়ে দিলে চুলকানি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
- অ্যালোভেরার রস দিয়ে শরবত বানিয়ে খেলে এটাও চর্মরোগ জাতীয় সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়
2) তুলসী পাতার ব্যবহার
আপনার ত্বকের যে স্থানে ভীষণ জ্বালা-পোড়া করছে, ব্যথা অনুভব হচ্ছে, ত্বক ফুলে যাচ্ছে, লাল বর্ণ ধারণ করছে ঐ স্থানে
- তুলসী পাতা থেকে রস বের করে লাগিয়ে দিন। অল্প সময়ের মধ্যে উপকার পাবেন।
3) অলিভ অয়েল এর ব্যবহার
প্রাকৃতিক গুণে অন্যন্য অলিভ অয়েল ত্বকের স্বাস্থের জন্য ভীষণ উপকারী। আর চর্মরোগ যেহেতু ত্বকের সমস্যা তাই এ জাতীয় সমস্যা থেকে বাঁচতেঃ-
- নিয়মিত হাতে-পায়ে অলিভ অয়েল মালিশ করুন।
4) বেকিং সোডার ব্যবহার
ত্বকের সমস্যা সমাধানে বেকিং সোডার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই চুলকানি নির্মূলেঃ-
আরো পড়ুনঃ- পিউটন সিরাপ খেলে কি ক্ষতি হয় - পিউটন সিরাপ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
- আক্রান্ত স্থানে বেকিং সোডা লাগান ( ৩ ভাগ পানি, ১ ভাগ বেকিং সোডা - পেস্ট করে লাগান )। এতে জ্বালাপোড়া নির্মূল হবে।
5) নিম পাতার ব্যবহার
- গরম পানির সাথে নিম পাতা ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গোসল করলে চর্মরোগ নির্মূল হয়।
- খালি পেটে নিম পাতা সেবন করলে চর্মরোগ থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
- নিম পাতা থেকে রস নির্গত করে ক্ষত স্থানে লাগালে সমস্যা দূর হয়।
6) হলুদের ব্যবহার
- ১ চামচ হলুদ + ৩ কাপ পানি দিয়ে সুন্দর করে পেস্ট করে নিবেন। এর পর আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে দিবেন। ২০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে নিন। এভাবে কিছুদিন ব্যবহার করলে চর্মরোগের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
7) ঠান্ডা তাপ দেওয়া
- আক্রান্ত স্থানে ফ্রিজে থাকা বরফ দিয়ে সেঁক দিলে ফোলা ভাব কমে যাওয়া এবং জ্বালা পোড়া বন্ধ হবে।
8) অতিরিক্ত পানি পান করুন
9) গরম কাপড় পরিধান করবেন না
10) ঠান্ডা বা শীতল স্থানে থাকুন
11) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পুষ্টিকর খাবার খাদ্য তালিকায় যুক্ত করুন।
শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
চর্ম রোগ কোন ভাবেই সাধারণ রোগ নয়। এর কারণে স্কিন ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। এই ধরণের রোগ আপনার হয়ে থাকলে দ্রুত ট্রিটমেন্ট নিন। নতুবা বড় কোন বিপদ হতে পারে। ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনারা প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গুলো গ্রহণ করতে পারেন। যদি বড় কোন সমস্যা হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
সম্মানিত পাঠকবৃন্দ আমি এই আর্টিকেলে চুলকানির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম - চুলকানির ঔষধের নাম স্কয়ার এর তালিকা আমি তুলে ধরেছি। তাছাড়া আমি এই আর্টিকেলে চর্মরোগের কারণ, লক্ষণ, ঘরোয়া প্রতিকার নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
আশা করি আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত হয়েছেন। এই ধরণের স্বাস্থ্য-বিষয়ক পোস্ট গুলো আমাদের ওয়েব সাইটে নিয়মিত পাবেন। এই সুন্দর সুন্দর ব্লগ আর্টিকেল গুলো আরও পেতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন। সকলের মঙ্গল ও সুস্থতা কামনা করে আজ এখানে শেষ করছি। 23.07.2026

আপনি পদ্মা মেইলের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url