ভাতের মাড়ের ক্ষতিকর দিক ৬টি কি কি তা জানুন
ভাতের মাড়ের ক্ষতিকর দিক গুলো আজকের এই আর্টিকেলের আলোচ্য বিষয়বস্তু। ভাতের মাড় স্বাস্থ্যকর ভেবে আমরা অনেকে খেয়ে থাকি। কিন্তু ভাতের মাড় এর কিছু স্বাস্থ্যকর এবং অস্বাস্থ্যকর দিক রয়েছে, যা অধিকাংশ মানুষ জানে না। তাছাড়া, আজকাল রূপচর্চায় ভাতের মাড়ের ব্যবহার হচ্ছে।
ভাতের মাড়ের ক্ষতিকর দিক
ভাতের মাড়ের ক্ষতিকর দিক গুলো জানা থাকলে আপনার স্বাস্থ্য সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে। একটি খাবার থেকে তখনই আপনি উপকার পাবেন যখন আপনি সেই খাবারটি পরিমিত পরিমাণে নিয়মমাফিক খাবেন। ওই একই খাবার যখন আপনি অতিরিক্ত খাবেন তা আপনার জন্য ক্ষতি বয়ে আনবে। ভাতের মাড়ের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম নয়। এজন্য যেকোনো খাবারের উপকারী এবং অপকারী
উভয় দিক জেনে রাখা দরকার। ভাত আমাদের বাংলাদেশিদের প্রধান খাদ্য। হাড়িতে ভাত রান্না করার সময় ভাতের যে উৎকৃষ্ট অংশ সেটি হলো ভাতের মাড়। অনেকে এটিকে ফেলে দেয় আবার অনেকে লবণ দিয়ে খাই। চলুন তাহলে ভাতের মাড়ের ক্ষতিকর দিক গুলো জেনে নেওয়া যাক।
- রক্তে যদি কোলেস্টেরল এর পরিমাণ বেড়ে যায় তাহলে হ্রদরোগ ভাতের মাড় খাওয়া নিরাপদ নয়। যাদের শরীরে চর্বির পরিমাণ বেশি তারা ভাতের মাড় এড়িয়ে চলুন। কেননা, এটি শরীরে মেদ বা চর্বির পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
- অনেকের চোখে ঘুম বেশি। তারা ভাতের মাড় খাওয়া থেকে দূরে থাকুন। কেননা, এটি চোখে ঘুমের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
- অনেকে ত্বকের যত্নে ভাতের মাড় ব্যবহার করে যা ব্রণ, ত্বকে জ্বালাপোড়া ইত্যাদি এ জাতীয় সমস্যা গুলো তৈরি করে।
- যাদের দেহের ওজন এমনিতেই বেশি তাদের ভাতের মাড় খাওয়া উচিত নয়। কেননা, এটি দেহের ওজন বাড়িয়ে দেয়।
- একদিনে অতিরিক্ত বা সপ্তাহব্যাপী ঘন ঘন ভাতের মাড় খেলে বদ হজম জনিত পেটের সমস্যাগুলো হতে পারে। যারা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন তাদের ভাতের মাড় খাওয়া উচিত নয়।
- ভাতের মাড় অনেক সময় পানি শূন্যতার কারন হয়ে দাঁড়ায়। অতিরিক্ত ভাতের মাড় খাওয়ার কারণে পেটের মধ্যে গোলযোগ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে আমাশয় কিংবা ডায়রিয়া এই জাতীয় সমস্যা গুলো হতে পারে যা পানি শূন্যতার অন্যতম কারন।
ভাতের মাড়ের উপকারিতা
একজন স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তি হিসেবে ভাতের মাড়ের ক্ষতিকর দিক জানার পাশাপাশি ভাতের মাড়ের উপকারিতা গুলো জানা প্রয়োজন। বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের বহু দেশে এই ভাতের চাল উৎপাদন হচ্ছে। অধিকাংশ সময় ডেস্কি তে ভাত রান্না করার সময় আমরা চালের পানি গুলো ( ভাতের মাড় )
ফেলে দিই। গবেষকদের মতে, ভাতের মাড়ে রয়েছে ভিটামিন ই, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। যা শরীরের স্বাস্থ্য এবং ত্বকের স্বাস্থ্য গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভাতের মাড় খেলে শরীরের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি মেলে। ভাতের মাড়ের উপকারিতা গুলো নিম্নরূপ:
- ভাতের মাড়ে যে পুষ্টি গুনাগুন রয়েছে তা হজম শক্তি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ডায়রিয়া হলে শরীরে লবণের পরিমাণ কমে গিয়ে দেহে খনিজ উপাদানের সংকট দেখা দেয়। ভাতের মাড়ের সাথে লবণ মিশিয়ে খেলে এটা খনিজের সংকট নিবারণ করবে।
- ভাতের মাড়ে যে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে তা দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- যাদের নিয়মিত টয়লেট হয় না অর্থাৎ কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন তারা দৈনিক দুইবার ভাতের মাড় খান, আশা করি উপকৃত হবেন।
- ভাতের মাড়ে যে কার্বোহাড্রেট উপাদান রয়েছে, তার শরীরে এনার্জি সংকট পূরণ করে। যারা শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছেন, তারা খাদ্য তালিকায় ভাতের মাড় যুক্ত করুন। এটি দেহের পেশী বেশি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভাতের মাড়ের রূপচর্চা
সামান্য মাত্রায় ভাতের মাড়ের ক্ষতিকর দিক গুলো কে বড় করে না দেখে, কিভাবে রুপ চর্চায় ভাতের মাড় ব্যবহার করা যায় তা জানা আবশ্যক। ভাতের মাড়ের রূপচর্চা হয়তো অনেকের কাছে নতুন। কিন্তু প্রাকৃতিক এই উপাদান দিয়ে বিভিন্নভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়া যায়। আপনি যদি রূপচর্চায় বিশ্বাসী একজন মানুষ হয়ে থাকেন তাহলে ভাতের মাড় হতে পারে আপনার জন্য সেরা উপায়। সেই উপায়গুলো হলো:
- হলুদ গুড়া ( ১ চামচ ) + বেসন ( ১ চামচ ) + লেবুর রস + ভাতের মাড় ( ১ চামচ ) সুন্দর করে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর তা মুখে লাগিয়ে দিন। ২০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিলে ত্বকের বলি রেখা দূর হবে।
- ত্বকের ভেতর থেকে ময়লা চিরতরে নির্মূল করতে ভাতের মাড় + আধা কাপ পানি + এসেনশিয়াল অয়েল এক বা দুই ফোঁটা মিক্স করে ত্বকে লাগান এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধৌত করুন।
- ভাতের মাড় ( ১ চামচ ) + আলুর রস ( ১ চামচ ) সুন্দর করে মিক্স করে ত্বকে লাগালে ত্বকের দাগ দূর হবে।
- মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে ভাতের মাড় ফেস মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ইহা ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে দারুন ভাবে কার্যকরী।
- চালের গুড়া ( ১ চামচ ) + দই ( ১ চামচ ) + আমন্ড অয়েল + ভাতের মাড় পেস্ট করে মুখে লাগালে ত্বকের মরা চামড়া নির্মূল হবে।
- লেবুর রস + ট্রি অয়েল + ভাতের মাড় ( ১ চামচ ) ভালো করে মিক্স করে তুলার বল ভিজিয়ে মুখে সুন্দর করে ম্যাসাজ করুন। যখন শুকিয়ে যাবে পানি দিয়ে মুখে ধুয়ে ফেলুন। তাহলে ব্রণ দূর হবে।
- যারা রূপচর্চা নিয়ে কাজ করে তাদের মতে ভাতের মাড় প্রাকৃতিক টোনার এর মত কাজ করে। ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য রাতে ঘুমানোর পূর্বে তুলা দিয়ে ভাতের মাড় পুরো মুখে ম্যাসাজ করে, সকালের ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিলে ত্বকের জমে থাকা ময়লা, মৃত কোষ দূর হবে।
- অতিরিক্ত ভাতের মাড় ত্বকে লাগালে ব্রণের সমস্যা হয়। তবে নিয়মমাফিক যদি আপনি দৈনিক 2 বার ভাতের মাড় ত্বকে লাগান তাহলে এটি ব্রণের মতো সমস্যা গুলো দূর করবে। ভাতের মাড় ঠান্ডা হলে তবেই ত্বকে লাগাবেন। ভাতের মাড়ে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা ত্বকের সমস্যা দূর করে সৌন্দর্য বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
ভাতের মাড় দিয়ে চুলের যত্ন
অনেকে মাথার চুল নিয়ে নানান রকম সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। যেমনঃ- চুল উঠে যাওয়া, চুল সাদা হয়ে যাওয়া, চুলের গোড়া দূর্বল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। এ রকম নানা বিধ সমস্যা সমাধানে ভাতের মাড় দিয়ে চুলের যত্ন একটি প্রাকৃতিক কার্যকরী পদ্ধতি। এখন প্রশ্ন আসতে পারে কিভাবে মাথায় মাড় ব্যবহার করব ? উত্তর হলোঃ-
- অ্যালোভেরার রস + ভাতের মাড় একত্রে করে হেয়ার মাস্ক এর মতো ব্যবহার করা যায়। ফলে চুল হবে ভিতর থেকে মজবুত। দেখতে উজ্জল, ঝলমলে।
- মাথার চুলের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ, রোগ জীবনে দূর ইত্যাদি এই জাতীয় সমস্যা গুলো ভাতের মাড় দিয়ে দূর করা সম্ভব। এজন্য প্রথমে ঠান্ডা ভাতের মাড় পুরো মাথায় দিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। এরপর কিছুক্ষণ পরে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে মাথা ধৌত করে নিন। আশা করি উপকৃত হবেন।
লক্ষ্য রাখবেন, ভাতের মাড় যেন ঘন না হয়। কারণ এটি চুল শুষ্ক করে দিতে পারে। ভাতের মাড় পাতলা হলে ভালো।
ভাতের মাড় খাওয়ার নিয়ম
অনেকে ইন্টারনেটে সার্চ করে জানতে চেয়েছেন ভাতের মাড় খাওয়ার নিয়ম কি ? সহজ উত্তরঃ- ভাতের মাড় খাওয়ার বিশেষ কোন নিয়ম নেই। মানুষের রুচি অনুযায়ী বিভিন্ন ভাবে মানুষ খেয়ে থাকে যেমনঃ-
আরো পড়ুনঃ- কোন ভিটামিনের অভাবে গলা শুকিয়ে যায় বিস্তারিত জেনে নিন
- ভাতের মাড় + হালকা লবণ মিক্স করে খায়।
- ভাতের মাড় + ভাত একত্রে খায়। ( অসুস্থ রোগীদের জন্য )
- সরাসরি ভাতের মাড় খাওয়া যায়।
- অনেকে এটা স্যুপ বানিয়ে খায়।
পাশাপাশি ভাতের মাড়ের ক্ষতিকর দিক গুলো মাথায় রাখবো যাতে করে আমরা কোন প্রকার ক্ষতির মুখো-মুখি না হই। পাশাপাশি আমরা যেকোন ধরণের পুষ্টিকর খাবার থেকে উপকার নেওয়ার চেষ্টা করব। এটাই হবে একজন স্বাস্থ্য সচেতন ব্যাক্তির কাজ।
ভাতের মাড় খেলে কি মোটা হয়
ভাতের মাড়ে যেহেতু ফ্যাট এর পরিমাণ বেশি, নিয়মিত কিছুদিন যাবত ভাতের মাড় খেলে শরীরের ওজন কিছুটা বাড়তে পারে। তবে শুধু ভাতের মাড় খেলে শরীরের ওজন বাড়বে বিষয়টি এমনও নয়। ওজন বৃদ্ধির জন্যঃ-
- দৈনিক ৪/৫ বার খাদ্য গ্রহণ করা
- বেশি করে পানি পান করা
- মৌসুমী ফল খাদ্য তালিকায় যুক্ত করা
- প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি খাওয়া
- দুধ, ডিম, খেজুর, দই এগুলো খাদ্য তালিকায় রাখা
- প্রতিদিন ব্যায়াম করা
- দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকা, পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো।
ভাতের মাড় কতদিন খেলে মোটা হয়
ভাতের মাড় কতদিন খেলে মোটা হয় এটা সুনিদিৃষ্ট ভাবে বলা যায় না। আপনাকে ওজন বৃদ্ধির উপায় গুলো অনুসরণ করতে হবে। এর পর ভাতের মাড় দৈনিক খেতে হবে। এখন কত দিন খেতে হবে ? একটানা ১ মাস খেলে আপনি নিজের মধ্যে পরিবর্তন দেখতে পাবেন। যদি ভাতের মাড় প্রতিদিন খাওয়ার কারণে আপনার শরীরে কোন নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে তাহলে রেগুলার খেতে পারেন অন্যথায় কিছুদিন খাওয়া বন্ধ রাখতে পারেন।
ভাতের মাড় খেলে কি ঠান্ডা লাগে
ভাতের মাড় ২ ভাবে খাওয়া যায়। যথাঃ- হালকা কুসুম গরম অবস্থায় অথবা ঠান্ডা অবস্থায়। তবে হালকা কুসুম গরম অবস্থায় খাওয়া নিরাপদ। এখন প্রশ্ন উঠেছে ভাতের মাড় খেলে কি ঠান্ডা লাগে ? উত্তর হলোঃ- এ রকম কোন তথ্য এখন অবদি পাওয়া যায় নি। ভাতের মাড়ের সাথে ঠান্ডা লাগা কিংবা গরম লাগা এর কোন সম্পর্ক নেই।
গর্ভাবস্থায় ভাতের মাড় খেলে কি হয়
একজন গর্ভবর্তী নারী কি খাবে ? তার খাদ্য তালিকা কেমন হওয়া উচিত ? গর্ভাবস্থায় ভাতের মাড় খেলে কি হয় ? এ রকম নানান প্রশ্ন রয়েছে। একজন সাধারণ মানুষ ভাতের মাড় খেলে যে উপকার পাবে, একজন গর্ভবর্তী নারীও ভাতের মাড় খেলে ঐ একই উপকার পাবে। যেমনঃ-
আরো পড়ুনঃ- পিউটন সিরাপ খেলে কি ক্ষতি হয় - পিউটন সিরাপ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
- দেহে খনিজের সংকট পূরণ
- দৈহিক পেশী গঠন
- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে
- হজম শক্তি ত্বরান্বিত করে
- ঘুম ভালো হয়।
- পেটের বাচ্চাকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ করে তোলে।
বাচ্চাদের জন্য ভাতের মাড়ের উপকারিতা
যখন আমরা ভাতের মাড় গুলো ফেলে দিই তখন প্রয়োজনীয় পুষ্টি গুণাগুণ গুলো চলে যায়। অনেক বাচ্চা আছে যারা ভাত খেতে চায় না। তারা যদি ভাতের মাড় খায় সেখান থেকেও ভাতের পুষ্টিগুণাগুণ গুলো পেয়ে যাবে। ভাতের মাড়ের মধ্যে রয়েছেঃ- ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ( রিবোফ্লাবিন, থায়ামিন ) যা শিশুদেরঃ-
- শারীরিক ও মানসিক ভাবে মজবুত করতে ভূমিকা রাখে
- দেহে শক্তি উৎপাদন করে
- ব্রেইন কে গতিশীল রাখে
- শিশুর স্কিন কে সুরক্ষিত রাখে
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
- পানি শূন্যতা দূর
ভাতের মাড়ের ইংরেজি কি
- ভাতের মাড় কে ইংরেজিতে বলা হয়ঃ- Rice starch, rice gruel, Rice water.
শেষ মন্তব্যঃ লেখকের কথা
সম্মানিত পাঠকবৃন্দ এই আর্টিকেলে আমি ভাতের মাড়ের ক্ষতিকর দিক গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। পাশাপাশি ভাতের মাড়ের স্বাস্থ্যগুণাগুণ নিয়ে আমি আলোচনা করেছি। স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস এন্ড ট্রিকস গুলো এই ওয়েবসাইটে আমি নিয়মিত পাবলিশ করে থাকে।
আমি ব্লগ আর্টিকেল গুলো তৈরি করি শুধু মাত্র পাঠকদের তথ্য দিয়ে উপকার করার জন্য। আপনাদের যেকোন ধরণের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সে করে রাখতে পারেন। স্বাস্থ্য বিষয়ক যে তথ্য গুলো দিয়েছে মেনে চলতে পারলে আশা করি উপকৃত হবেন। সকলের মঙ্গল কামনা করে আজ এখান থেকে বিদায় নিচ্ছি। 26.07.2026

আপনি পদ্মা মেইলের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url