টাকা ইনকাম করার সময়ের সেরা ৪২টি অ্যাপ ২০২৫ দেখে নিন

টাকা ইনকাম করার অ্যাপ নিয়ে আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করা হবে। সুতরাং, আপনারা যারা টাকা ইনকাম করার অ্যাপ সম্পর্কে জানতে গুগলে সার্চ করেছেন, তাদের বলব আপনি সঠিক ওয়েব সাইটে এসেছেন।

টাকা ইনকাম করার অ্যাপ ২০২৫

পোস্টসূচীপত্রঃ-কেননা, এই আর্টিকেলে আমি টাকা ইনকাম করার অ্যাপ নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেছি। 

টাকা ইনকাম করার অ্যাপ

গুগলে সার্চ করে আমরা অনেকে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেছি। চিন্তার কোন কারণ নেই, এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের এমন কিছু অ্যাপস সম্পর্কে জানাবো যে অ্যাপসগুলো থেকে ব্যবহারকারীরা কাজ করে পেমেন্ট কালেক্ট করতে পারবে। আপনি যদি পার্টটাইম জব খুজেন অথবা হাত 

খরচ মেটানোর জন্য কিছু টাকার প্রয়োজন হয় তাহলে এই অ্যাপস গুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন। অযথা সময় নষ্ট না করে, অবসর সময় কে কাজে লাগিয়ে এই অ্যাপস গুলো থেকে আপনি ইনকাম করতে পারেন। আমরা তো প্রায় অবসর সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে অযথা সময় কাটাই, কোন ইনকাম হয় না। 

অবসর সময়ে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সেরা মাধ্যম হলো অ্যাপস। বিনা অভিজ্ঞতায় এই অ্যাপসগুলোতে কাজ করে টাকা ইনকাম করা যায়। ইন্টারনেট সুবিধা কাজে লাগিয়ে সকলে আমরা অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চায়। অনলাইন থেকে ইনকাম করার মধ্যে আলাদা একটি মজা রয়েছে। 

আপনি ঘরে বসে মোবাইল অথবা পিসি দিয়ে  অনলাইনে কাজ করলেন, কাজ শেষে আপনার একাউন্টে টাকা চলে আসলো এর থেকে মজার কাজ আর কি হতে পারে ! 😍 আপনি যে পেশায় নিযুক্ত থাকুন না কেন, অনলাইনে কাজের প্রতি সকলে রয়েছে আলাদা আকর্ষণ। ভুল অ্যাপস বা অনলাইন প্লাটফর্ম নির্বাচন করার কারণে, অনেকে অনলাইনে কাজ করে সফল হতে পারছে না। 

1) Swagbucks Play Games + Surveys

যতগুলো অনলাইন থেকে আয়ের অ্যাপস রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো Swagbucks. অভিজ্ঞতা ছাড়া এই অ্যাপ থেকে টাকা ইনকাম করা যাবে। গুগল প্লে স্টোর থেকে প্রথমে অ্যাপসটি ডাউনলোড করে, জিমেইল - পাসওয়ার্ড - যা যা তথ্য চাইবে, সেগুলো দিয়ে অ্যাপসটি সাইন আপ করতে হবে। 

আর্টিকেল পড়ে, অ্যাপস ডাউনলোড করে, ভিডিও দেখে, সার্ভে করে, গেম খেলে Swagbucks অ্যাপস থেকে ইনকাম করা যায়। মাল্টিটাক্স কমপ্লিট করে অনলাইন থেকে আয়ের অন্যতম প্লাটফর্ম হল Swagbucks অ্যাপস. বাংলাদেশ সহ গোটা বিশ্বব্যাপী এই অ্যাপসটি ব্যবহার করে থাকে।

2) ySense

নতুনদের জন্য ySense অ্যাপসটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। কোন প্রকার বিশেষ অভিজ্ঞতা ছাড়া নতুনরা এই অ্যাপস থেকে আয় করতে পারবে। ঠিকঠাক কাজ করতে পারলে এই অ্যাপস থেকে মোটামুটি ভালো ইনকাম করা সম্ভব। এই অ্যাপসে কাজ করতে হলে আপনাকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। 

আরো পড়ুনঃ- ফ্রি টাকা ইনকাম apps bangladesh সেরা ৩০টি কার্যকরী বিশ্বস্ত মাধ্যম

এরপর ওয়েবসাইট ভিজিট করে, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে, অনলাইনে সার্ভে করে ইত্যাদি এই সমস্ত ছোট ছোট টাক্স সম্পূর্ণ করে ySense অ্যাপস থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে এই অ্যাপসটির জনপ্রিয়তা রয়েছে। এই অ্যাপস থেকে টাকা ইনকাম করার সহজ বিধায়, অনেকের পছন্দের তালিকায় এই অ্যাপসটি রয়েছে। 

3) InboxDollars - টাকা ইনকাম করার অ্যাপ

InboxDollars  টাকা ইনকাম করার একটি বিখ্যাত অ্যাপ্স। আপনি যদি অনলাইনে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ্লিকেশন লিখে সার্চ করেন তাহলে InboxDollars এই অ্যাপস এর নাম শুরুর দিকে আসবে। গোটা বিশ্বজুড়ে মানুষ এই অ্যাপসটি ব্যবহার করে। 

আপনি নিজেও এই অ্যাপসে কাজ করে ডলার ইনকাম করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে অ্যাপসটি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আপনার নিকট যে যে তথ্য চাইবে, সেই তথ্যগুলো সাবমিট করবেন। আপনার একাউন্টে তৈরি করা হয়ে যাবে। 

এরপর অনলাইনে শপিং করে, গেমস ডাউনলোড করে, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে, সার্ভে করে এই অ্যাপস থেকে টাকা ইনকাম করতে পারেন। InboxDollars যে যে যে টাস্ক আপনার কাছে অফার করবে, উক্ত অফার গুলো আপনাকে সম্পূর্ণ করতে হবে। যেহেতু এটা বিদেশি প্ল্যাটফর্ম, আপনি ব্যাংক অথবা অনলাইন পেমেন্ট মেথডের যেমনঃ- পেওনিয়ার, পেপাল এর মাধ্যমে পেমেন্ট কালেক্ট করতে পারবেন। 

4) Cointiply - Earn Real Bitcoin 

এই অ্যাপসের সবথেকে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনি এখান থেকে বিটকয়েন আর্ন করতে পারেন। বিট কয়েন হচ্ছে একটা ভার্চুয়াল মুদ্রা। এই মুদ্রা আপনি হাতে নিয়ে গণনা  পারবেন না। তবে এই মুদ্রা ব্যবহার করে, আপনি আপনার প্রয়োজন মেটাতে পারবেন যেমনটা নগদ টাকা দিয়ে করে থাকেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের সাথে আপনি এই বিটকয়েনের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন। Cointiply অ্যাপসে কাজ করে আপনি বিটকয়েন আর্ন করতে পারবেন। এরপর বিটকয়েন গুলো বিকাশে ট্রান্সফার করতে পারবেন। একাধিক সুবিধা থাকার কারণে অন্যান্য অ্যাপসের তুলনায় এই অ্যাপসটি ব্যতিক্রম। 

ওয়েবসাইটে পোস্ট করে, লটারি খেলে, স্পিন করে, সার্ভে করে,  এড দেখা সহ আরো অন্যান্য মাধ্যম রয়েছে বিটকয়েন থেকে টাকা ইনকামের। এই অ্যাপস এ কাজ করে আপনি শুধু হাত খরচ নয়, মোটামুটি ভাল টাকা ইনকাম করতে সক্ষম হবেন।

5) Poll Pay: Earn Money Rewards 

অনলাইনে টাকা উপার্জন কিভাবে করতে হয় এ বিষয়ে আপনার যদি বাস্তবে কোন জ্ঞান না থাকে, তাও আমি বলব এ অ্যাপসে কাজ করে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ছোট ছোট কাজগুলো সময় মত জমা দিয়ে Poll Pay এই অ্যাপস থেকে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

গুগল প্লে স্টোর থেকে Poll Pay অ্যাপসটি ইন্সটল করতে হবে, এরপর জিমেইল, পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। এখন আপনাকে নাম, ঠিকানা সহ অন্যান্য তথ্য সাবমিট করে নিজ প্রোফাইল সেট আপ করতে হবে। 

ওয়েবসাইট সাইন ইন করে, গেমস খেলে, অনলাইনে সার্ভে করে, ভিডিও দেখে Poll Pay অ্যাপস থেকে ইনকাম করা যায়। সুতরাং, আপনারা যারা অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জন্য অ্যাপস খুঁজছেন, তারা Poll Pay অ্যাপসে কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

6) Toffee App

টফি একটি বাংলাদেশী অ্যাপ। ভিডিও দেখার অথবা ভিডিও কনটেন্ট আপলোড করে আয় করার অন্যতম বাংলাদেশী প্লাটফর্ম Toffee App. এই অ্যাপসটি রেজিস্ট্রেশন করে ভিডিও কনটেন্ট থেকে আয় করতে পারবেন। আপনি চাইলে ফেসবুকে অথবা youtube 

আরো পড়ুনঃ- ডলার ইনকাম নগদ পেমেন্ট নিন ২৫টি সাইট, ২২টি অ্যাপস থেকে

এর মাধ্যমে ভিডিও কনটেন্ট আপলোড করে আয় করতে পারেন। আপনার ভিডিওতে যত বেশি ভিউজ হবে তত বেশি ইনকাম হবে। যেহেতু এটা বাংলাদেশি প্লাটফর্ম, এই এপ্স এর নীতিমালা অনুযায়ী আপনার একাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যালেন্স হলে, তা আপনি বিকাশ অথবা নগদ এর মাধ্যমে উইথড্র করে নিতে পারবেন। 

7) Blogging App

এখানে blogger.com ও wordpress.com প্ল্যাটফর্ম কে বুঝানো হয়েছে। কাজ করা এটা যদি আপনার প্যাশন হয়ে থাকে, তাহলে এ প্লাটফর্মগুলোতে কাজ করে আপনি ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন। লেখালেখির কাজ করে আয় করার জন্য জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম হল Blogging. 

আপনি যদি বাংলা ভাষায় আর্টিকেল লিখে ইনকাম করতে চান তাহলে blogger.com এই প্লাটফর্মটা আপনার জন্য সেরা হবে।কেননা, আমি নিজেই blogger.com এ আর্টিকেল লিখে থাকি। ব্লগিং করে আয় করার অন্যতম মাধ্যম হলো google adsense, Adsterra এড নেটওয়ার্ক। আপনার ব্লগার ওয়েবসাইটে এ দুটোর যেকোনো একটি  অ্যাড নেটওয়ার্ক চালু করে আয় করতে পারবেন। 

8) Telegram App

শুরুর দিকে টেলিগ্রাম যোগাযোগের জন্য তৈরি করা হলেও ডিজিটাল মার্কেটিং এর যুগে এসে টেলিগ্রাম এখন মানুষের ভাগ্য বদলের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনি টেলিগ্রাম থেকে সরাসরি ইনকাম করতে পারবেন না। প্রথমে আপনাকে টেলিগ্রামে একটি একাউন্ট খুলতে হবে, এরপর আপনাকে একটা চ্যানেল তৈরি করতে হবে।

এরপর আপনার টেলিগ্রাম চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করবেন।  যখন আপনার টেলিগ্রাম চ্যানেলে ৫০০ - ১০০০ জন মানুষ যুক্ত হবে তখন আপনি এই চ্যানেল থেকে এফিলেট মার্কেটিং করে, বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্টের প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে, ব্র্যান্ড প্রমোশন করে আয় করতে পারবেন। আপনি টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে পরোক্ষভাবে আয় করতে পারবেন। 

9) Youtube App

যদি আমাদের ভিডিও দেখতে ইচ্ছে হয়, তখন আমরা সরাসরি ইউটিউবে সার্চ করে ভিডিও দেখে থাকি। ইউটিউব যে শুধু ভিডিও দেখার মাধ্যম এমনটা নয়, এখন ইউটিউব মানুষের ভাগ্য বদলের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারা প্রফেশনাল ইউটিউবার, তারা youtube থেকে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করে। 

আপনি যদি ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণ করা শিখতে হবে। আমরা যেমন মোবাইলে ক্যামেরা অন করে রেকর্ডিং করে থাকে, ঠিক সেভাবে ভিডিও তৈরি করতে হয়। তবে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করার জন্য অথবা ভিডিও কে আরো আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য ভিডিও এডিটিং এর কিছু বেসিক কাজ জানতে হবে। যেগুলো আপনি ইউটিউবে সার্চ করে পেয়ে যাবেন। 

আরো পড়ুনঃ- অনলাইন ইনকাম সাইট বিকাশ পেমেন্ট নিন শ্রেষ্ঠ ৩৫টি উপায়ে

যখন আপনার আপলোডকৃত ভিডিওতে বেশি থেকে বেশি ভিউজ আসবে, মানুষ যখন আপনার ভিডিও দেখতে বেশি পছন্দ করবে তখন আপনি গুগল এডসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে এখানে শর্ত প্রযোজ্য, শর্তটি হলো আপনার ইউটিউবে ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াচটাইম, 1000 সাবস্ক্রাইবার পূর্ণ হওয়া লাগবে। ভিডিও তোলা এটা যদি আপনার প্যাশন হয়ে থাকে, তাহলে ইউটিউবিং আপনার জন্য সেরা মাধ্যম হবে। ইউটিউবিং করে অনেকে প্রতি মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছে। 

10) Facebook App

যতগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রয়েছে, তার মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো Facebook. গোটা বিশ্বে যতগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রয়েছে এগুলো পুরোটাই এখন বিজনেস কেন্দ্রিক। কেউ কেউ ফেসবুক চালায় 

বিনোদনের জন্য, আবার কেউ ফেসবুক ব্যবহার করে ব্যবসার জন্য। ঐ সকল মানুষদের মধ্যে তারাই সফল যারা facebook থেকে ইনকাম করছে এবং ব্যবসা পরিচালনা করছে। বর্তমানে ফেসবুকে টেক্সট কন্টেন্ট অথবা ভিডিও কনটেন্ট আপলোড করে অনেকে মাসে 

৩০ হাজার টাকার বেশি ইনকাম করছে। এখানে ইনকামের পুরো বিষয়টি নির্ভর করে আপনার তৈরি করা কনটেন্ট মানুষের নিকট কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে। মানুষ যত আপনার কনটেন্ট দেখবে এবং পড়বে তত বেশি আপনার ইনকাম হবে। ফেসবুকে যখন আপনি 

পরিচিত মুখ হয়ে উঠবেন, যখন আপনি একটা ভালো অবস্থান তৈরি হবে তখন আপনি আরো অন্যান্যভাবে আয় করতে পারবেন যেমনঃ- ডিজিটাল মার্কেটিং করে, অর্থের বিনিময়ে কোন কোম্পানির পণ্য সেবার প্রচারণা চালিয়ে যেমনটা টিভির পর্দায় কোন প্রফেশনাল 

ক্রিকেটার বা ফুটবলাররা বিজ্ঞাপন করে, ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে নিজের একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেন। যে পরিমাণে বেকারত্বের হার, সেই পরিমাণে চাকরি বাড়ছে না। তাই, আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ হলো আপনি যদি একজন শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন শিক্ষাজীবন 

থেকে অনলাইন থেকে আয়ের চেষ্টা করুন। এটা আপনার ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করবে। যখন অন্যরা চাকরির জন্য ভোঁ, ভোঁ করে ঘুরছে তখন আপনি তাকে ইনকাম করে নিজের একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারছেন। 

11) Workup job App

যারা অনলাইনে কোন ধরনের কাজ জানেন না কিন্তু অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য Workup job এই অ্যাপস টি সেরা হবে। কেননা, এই আছে এমন কিছু কাজ রয়েছে যা যে কেউ করতে পারে। পার্টটাইম জবের চাইতে এই অ্যাপস এ কাজ করাটা অনেক ভালো। 

এর অন্যতম কারণ হলো জবের ক্ষেত্রে সময় ফিক্সড করা থাকে, শ্রম দেওয়া লাগে বেশি, দিনের যেকোনো সময় কাজের কোন সুযোগ নেই। কিন্তু আপনি যখন অ্যাপসে কাজ করবেন তখন আপনি স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারবেন, ২/৩ ঘন্টা সময় দিলে যথেষ্ট, এখানে কোন শারীরিক শ্রমের দরকার হয় না, দিনের যেকোনো সময় কাজ করা যায়। 

অন্যান্য অ্যাপসের তুলনায় এই অ্যাপসে প্রচুর কাজ পাওয়া যায় যেমনঃ- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করা, youtube এ কমেন্টস করা, ফেসবুকে লাইক করা, অ্যাড দেখা, ওয়েবসাইট ভিজিট করে আর্টিকেল পড়া ইত্যাদি ছোট ছোট কাজগুলো করে Workup job App থেকে ইনকাম করা যায়। এই অ্যাপসে কাজ করে আপনি দিনে ১০০/২০০/৩০০ টাকা আয় করতে পারবেন। 

12) Daraz App - টাকা ইনকাম করার অ্যাপ

যারা অনলাইন সম্পর্কে একটু খোঁজখবর রাখেন তারা অবশ্যই দারাজ অ্যাপ সম্পর্কে জেনে থাকবেন। দারাজ হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে অনলাইনের মধ্যে মাধ্যমে পন্য ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। আপনি অনলাইনে প্রডাক্ট অর্ডার করবেন, সেই প্রোডাক্ট ডেলিভারি ম্যান আপনার বাসায় দিয়ে যাবে। 

দারাজ থেকেও আপনি ইনকাম করতে পারবেন। এখন দারাজ থেকে কিভাবে ইনকাম করতে হয় বা তার নিয়ম টা কি এ বিষয়ে আমরা অনেকেই জানি না। দারাজ অ্যাপ থেকে আপনি একাধিক ভাবে ইনকাম করতে পারবেন। এই আর্টিকেলে মাধ্যমে আমি আপনাদের জানাবো কিভাবে দারাজ থেকে ইনকাম করতে হয়। 

আরো পড়ুনঃ- দিনে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করুন দুর্দান্ত ৪৫টি উপায়ে

অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামঃ- আপনি যদি দারাজের হয়ে অ্যাফিলিয়েট করতে চান, তাহলে আপনাকে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে সাইন আপ করতে হবে। সাইন আপ করলে আপনাকে একটি অফিশিয়াল লিঙ্ক দেওয়া হবে। ওই লিঙ্কটি আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 

যেমন টুইটার, টেলিগ্রাম, ফেসবুক, ওয়েবসাইট, ইউটিউবে শেয়ার করবেন। উক্ত শেয়ার করা লিংকে ক্লিক করে কেউ যদি দারাজ থেকে প্রোডাক্ট ক্রয় করে বিনিময়ে আপনাকে কমিশন দেওয়া হবে। এখন কত পারসেন্ট কমিশন দেওয়া হবে এটা যখন আপনি দারাজের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম সাইন আপ করবেন তখন জানতে পারবেন। 

রিসেলার হিসেবেঃ- ধরুন, আপনার একটি মোবাইলের ব্যাক কভারের দোকান আছে। এখন আপনি যাচ্ছেন দারাজের মাধ্যমে এই প্রোডাক্ট গুলো বিক্রি করতে। এখন আপনি অফিসিয়াল দারাজ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সেলার অপশনে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করবেন, যা যা তথ্য আপনার নিকট চাইবে সব তথ্য সাবমিট করবেন। 

এবং আপনার প্রোডাক্ট গুলো দারাজের ওয়েবসাইট আপলোড করুন এবং দাম সেট করুন। যখন কেউ অর্ডার করবে, তখন আপনি কাস্টমারের বাসায় প্রোডাক্ট পৌঁছে দিবেন অর্থের বিনিময়ে।

প্রোডাক্ট ডেলিভারি জবঃ- দারাজে, অনলাইনে অর্ডারকৃত পন্য গুলো মানুষের বাসায় পৌঁছে দিতে ডেলিভারি ম্যান এর প্রয়োজন হয়। আপনি চাইলে দারাজের হয়ে ডেলিভারি ম্যানের জব করতে পারেন। 

13) Upwork

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার বিশ্বস্ত মার্কেটপ্লেস Upwork. কাজ না জানলে, এ মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আয় করতে পারবেন না। যারা ফ্রিল্যান্সার এ মার্কেটপ্লেস তাদের জন্য। সফল ফ্রিল্যান্সাররা এ মার্কেটপ্লেস এ কাজ করে লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করছে। 

এ মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট খুলে, বায়ারদের কাছ থেকে কাজ নিয়ে, বায়ার দের কাজ জমা দেওয়ার পর তবেই আপনি পেমেন্ট পাবেন। আপওয়ার্ক মার্কেটে কনটেন্ট রাইটিং, ডাটা এন্ট্রি, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং এই ফ্রিল্যান্সিং সেবাগুলো দিয়ে আমি এ মার্কেট থেকে আয় করতে পারবেন। 

14) Fiverr

ফাইবার মার্কেটপ্লেস ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। এমন কোন ফ্রিল্যান্সিং কাজ নেই যে কাজের চাহিদা এ মার্কেটে নেই, ফ্রিল্যান্সিং জগতে যত ধরনের কাজ রয়েছে, সব ধরনের কাজ এ মার্কেটে পাওয়া যায়। এ মার্কেট থেকে যদি আপনি আয় করতে 

চান, তাহলে যে কোন একটি অনলাইনের কাজ আপনাকে জানতে হবে। এ মার্কেটে আপনাকে একটা একাউন্ট খুলে, গিগ তৈরি করতে হবে, যাতে বায়াররা আপনার সম্পর্কে জানতে পারে। ভিডিও এডিটিং, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, SEO, 

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি সহ যত ধরনের কাজ পাওয়া যায় সব ধরনের কাজ ফাইবার মার্কেটে রয়েছে। আপনাকে শুধু কাজ শিখে, কাজ জমা দিয়ে আয় করতে হবে। আপনার আয়ের টাকা সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে নিতে পারবেন।

15) Foap 

এটা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, রেগুলার কাজ না করলেও আপনার একাউন্টে টাকা আসতে থাকবে। যদিও শুরুর দিকে একটু বেশি পরিশ্রম করতে হয়। Foap হচ্ছে ছবি বিক্রি করার একটি প্ল্যাটফর্ম। এখানে আপনি ছবিগুলো ক্যামেরা দিয়ে তুলবেন সেগুলো Foap.com এই ওয়েবসাইটে আপলোড করবেন। 

এখানে কাজ করার পূর্বে এই ওয়েবসাইটে আপনাকে একটা একাউন্ট খুলতে হবে অথবা Foap এর একটি অ্যাপস রয়েছে অ্যাপসটি ডাউনলোড করে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। এরপর আপনাকে নিয়মিত ছবি তুলে আপলোড করতে হবে। যদি কেউ আপনার আপলোডকৃত ছবিগুলো ক্রয় করে তাহলে আপনার টাকা ইনকাম হবে। আপনি যেটাকে ইনকাম করবেন সেটা ব্যাংক অথবা পেপাল এর মাধ্যমে উইথড্রো করতে পারবেন। 

16) Bkash App

ক্যাশ ইন বা ক্যাশ আউট করার জন্য আমরা বিকাশে একাউন্ট খুলে থাকি। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে বিকাশ থেকেও আপনি ইনকাম করতে পারবেন। বিকাশ থেকে টাকা ইনকামের অন্যতম উপায় হলো রেফারেল প্রোগ্রাম। যখন আপনি বিকাশে একটা একাউন্ট 

আরো পড়ুনঃ- ডিপোজিট ছাড়া ইনকাম সাইট ২৫টি এক নজরে দেখে নিন ২০২৫

খুলবেন, তখন আপনাকে রেফারেল লিংক সংগ্রহ করতে হবে। ওই লিংকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, ইউটিউবে শেয়ার করবেন। আপনার শেয়ার করা রেফারেল লিংকে ক্লিক করে কেউ বিকাশে অ্যাকাউন্ট খুললে বিনিময় আপনাকে ৫০ টাকা বোনাস 

দেয়া হবে। যদি ২০ জন আপনার শেয়ার করা লিংকে ক্লিক করে বিকাশে একাউন্ট খুলে তাহলে, ২০*৫০= ১,০০০ টাকা আপনি পেলেন। এবার বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করে ইনকাম করতে হয়। 

17) Uber App

এটা হচ্ছে ড্রাইভিং সেবা দেওয়ার অ্যাপ। আপনি রিক্সা করে কোথাও গেলেন, রিক্সা থেকে নামার পর আপনাকে রিকশা ভাড়া দিতে হবে। ঠিক এ কাজটাই করতে হয়। Uber অ্যাপস থেকে ইনকাম করার জন্য আপনার নিজস্ব একটি মোটরসাইকেল, ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। 

এরপর  Uber অ্যাপস ইনস্টল করে নিজ প্রোফাইল সেট করতে হবে, মোবাইল নাম্বার সহ। যাতে আপনার সাথে যোগাযোগ করলে আপনাকে পাওয়া যায়। ধরুন, কারো বাংলাদেশের ঢাকা শহরের ধানমন্ডি থেকে মতিঝিল আর্জেন্ট যাওয়া প্রয়োজন। এখন কোন গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। 

তখন ওই যাত্রী উবার এপস এর মাধ্যমে আপনার প্রোফাইলে গিয়ে আপনার সাথে কন্টাক্ট করবে। যদি আপনি ফ্রি থাকেন অথবা ড্রাইভিং সেবা দিতে চান তাহলে আপনার মোটরসাইকেলের দিয়ে ও যাত্রীকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিবেন। বিনিময়ে ভাড়া হিসেবে তার থেকে আপনি টাকা নিবেন। 

18) Food Panda - টাকা ইনকাম করার অ্যাপ

বাসায় তৈরি করা খাবার অনলাইনে বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতে চান, তাহলে ফুডপান্ডা আপনার সেরা অপশন। ধরুন, আপনার কোন নিজস্ব রেস্টুরেন্ট আছে সেই রেস্টুরেন্টের খাবার ফুডপান্ডের মাধ্যমে বিক্রি করা যাবে। অনলাইনে খাবার বিক্রি করার জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম হল ফুড পান্ডা। 

আপনাকে প্রথমে ফুডপান্ডা অ্যাপসটি ইন্সটল করে, যাবতীয় ডাটা বা তথ্য সাবমিট করে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। ফুড পান্ডার পার্টনার হওয়ার জন্য আপনাকে আবেদন করতে হবে। এরপর ফুডপান্ডা টিম কর্তৃপক্ষ নিজ হাতে আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। 

কিভাবে কাজ করবেন না করবেন, এসব ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য আপনাকে জানিয়ে দিবে এবং আপনাকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দিবে। এরপর আপনার খাবারের মেনুগুলো ফুডপান্ডার ওয়েবসাইট বা অ্যাপসে লাইভ হয়ে যাবে। যখন কেউ খাবারের জন্য আপনার নিকট 

অর্ডার করবে তখন আপনাকে খাবার তৈরি করতে হবে এবং রাইডাররা বা ডেলিভারি ম্যানরা এসে আপনার খাবারগুলো নিয়ে যাবে। প্রতিটি অর্ডারের জন্য আপনি ফুড পান্ডা থেকে যত টাকা আয় করবেন তার একটি অংশ ফুড পান্ডা কর্তৃপক্ষ কেটে নিবে। এভাবে আপনি ফুড পান্ডার মাধ্যমে অনলাইনে খাবার বিক্রি করে আয় করতে পারেন। 

19) Shopify App

ড্রপ শিপিং করে আয় করার অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হল Shopify App. এখানে কোন ধরনের অর্থ বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই, আপনি ফ্রিতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এখানে আপনার কাছে পণ্য থাকা লাগবে না, এমনকি অনলাইনে অর্ডার করার পন্যও কাস্টমারদের 

বাসায় পৌঁছে দেওয়া লাগবে না। আপনি শুধু ড্রপশিপিং করে আয় করবেন। আপনাদের শুধু উক্ত পন্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রমোশন চালাতে হবে। এজন্য একটি ওয়েবসাইট থাকলে ভালো হয়। তাছাড়া আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রমোশন চালিয়ে উক্ত পন্যটি বিক্রি 

করতে পারবেন কোন সমস্যা নাই। এখান থেকে টাকা ইনকামের নিয়মটা হলোঃ- আপনি যে কোম্পানির বা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের হয়ে ড্রপ শিপিং করবেন উক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠার পণ্যের দাম যত হবে তার থেকে আপনি বেশি দাম ধার্য করবেন। 

আরো পড়ুনঃ- ফ্রি টাকা ইনকাম apps ২০+ ২০২৫ সালের জন্য দেখে নিন

ধরুন, মোবাইলের ব্যাটারির দাম ৪৫০ টাকা,,, কিন্তু আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করছেন ৫০০ টাকায়। এখন আপনার ৫০ টাকা লাভ হলো। এটাই হচ্ছে ড্রপশিপিং করে ইনকাম। এজন্য আপনাকে সঠিকভাবে মার্কেট রিসার্চ করতে হবে এবং কোন পণ্যের চাহিদা বেশি সেটা নিয়ে গবেষণা করতে হবে। তাহলে সফল হবেন। 

20) People per hour

এটা একটি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট, এর নিজস্ব একটি এপস রয়েছে। এখানে ফ্রিল্যান্সাররা ইমেইল মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট, আর্টিকেল রাইটিং, এসইও, অ্যাফিলিয়েট marketing ইত্যাদি সহ আরো অন্যান্য কাজ ফ্রিল্যান্সাররা এ মার্কেটপ্লেসে করে থাকে। 

যেহেতু এটা একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট ওয়েবসাইট, তো এখান থেকে ইনকাম করতে হলে সর্বপ্রথম কাজ শিখতে হবে। আপনি যদি কাজ ঠিকমত না জানেন তাহলে এই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট ওয়েবসাইটগুলো আপনার জন্য নয়।এ মার্কেটে কাজ করে আপনি পেমেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে কালেক্ট করতে পারবেন।  

21) Make Money: play & Earn cash

ফ্রি আয় ইনকাম করার একটি অ্যাপস। অনলাইন থেকে ১০ মিলিয়নের বেশি মানুষ অ্যাপস টি ডাউনলোড করেছে। এখানে আপনি রেফার করে, সার্ভে করে, গেম খেলে ইনকাম করা যায়। এই অ্যাপস থেকে ইনকাম করার জন্য আপনাকে ইন্সটল করে, জিমেইল একাউন্ট দিয়ে অ্যাপস টি সাইন আপ করতে হবে। ছোট ছোট কাজ করে আপনাকে ইনকাম করতে হবে। এর পেপালের মাধ্যমে আপনি ক্যাশ আউট করে নিতে পারবেন। 

22) Paid Work: Make Money

রিয়েল টাকা ইনকাম করার অ্যাপস এটি। এখানে কোন উপকার টাকাগুলো করতে হয় না। ছোট ছোট মাইক্রো টাক্স গুলো সম্পন্ন করে যেমনঃ- রেফার করে, গেম ডাউনলোড, সহ অন্যান্য কাজ করে এই অ্যাপস থেকে ইনকাম করতে হয়। একাউন্টে ৫ ডলার জড়ো হলে ব্যাংক বা পেপাল এর মাধ্যমে তুলে নিতে পারবেন। 

23) TikTok App - টাকা ইনকাম করার অ্যাপ

ছোট ছোট মজার মজার ভিডিও দেখার নতুন মাধ্যম হলো TikTok. শর্ট ভিডিও দেখার জন্য TikTok প্ল্যাটফর্ম অন্যতম। টিকটক ভিডিও গুলো এমন ভাবে নির্মাণ করবেন যেন তা শালীনতার পর্যায়ে থাকে। তাহলে তার দর্শকদের নিকট গ্রহণযোগ্যতা পাবে। এরপর অ্যাড মনিটাইজেশন চালু করার মাধ্যমে টিকটক থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। 

24) Shutterstock App

যেকোনো মনমুগ্ধকর দৃশ্যের ফটো তুলে তা Shutterstock App এর মাধ্যমে বিক্রি করে ইনকাম করা যায়। এখানে আপনার কাজ হল Shutterstock প্ল্যাটফর্মে একটি একাউন্ট খোলা। এরপর নিয়মিত ছবি আপলোড করা। যখন কেউ আপনার ছবি ডাউনলোড 

করবে বা ক্রয় করবে তখন আপনার ইনকাম হবে। এই অনলাইন প্লাটফর্মে ছবি বিক্রি করে আপনি প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন। তবে শুরু থেকে একটু কষ্ট আছে। কারণ, আপনার চাইতে ভালো ফটোগ্রাফাররা এখানে কাজ করছে। 

25) Toloka App

এটা হচ্ছে একটি মোবাইল অ্যাপস। এখানে আপনি কমেন্ট করে, ওয়েবসাইট ভিজিট করে, ছবি চেক করে, বন্ধুদের প্রতি রেফার করে আয় করতে পারেন। এই কাজগুলো করার পূর্বে অ্যাপসটি আপনাকে সাইন আপ করতে হবে। উক্ত অ্যাপসের নীতিমালা অনুযায়ী আপনি কাজ করবেন। একাউন্টে ব্যালেন্স চলে আসবে উইড্রো করার মত তখন পেওনিয়ার অথবা পেপালের মাধ্যমে ক্যাশ আউট করতে পারবেন। 

টাকা ইনকাম করার আরো অন্যান্য অ্যাপঃ-

26) Earn Easy App

27) mCent App

28) Dream 11 App

29) Taskbucks App

30) CashBoss: Earn Cash app

31) Slidejoy app

32) Rokomari App

33) Linekdin app

34) Alamy app

35) Toluna app

36) Windfram app

37) jumptask app

38) paidverts app

39) QuickRewards app

40) Mypoints app

41) iRazoo app

42) Neobucks app

সতর্কতা - টাকা ইনকাম করার অ্যাপ

এই আর্টিকেলে আমি ইন্টারনেট থেকে রিসার্চ করে একাধিক অ্যাপস নিয়ে আলোচনা করেছি। অ্যাপসগুলো ব্যবহারের পূর্বে এপসের বিশ্বস্ততা যাচাই করা দরকার। যাচাই করার নিয়ম হলোঃ-

  1. যারা এপ্স নিয়ে কাজ করছে তাদের পরামর্শ নিতে পারেন। 
  2. এপসের রিভিউ, রেটিং স্টোর, কমেন্টস চেক করে নিবেন। যদি পজিটিভ মনে হয় তাহলে কাজ করবেন। 
  3. প্লে স্টোর ব্যতীত অন্য কোন মাধ্যম থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করবেন না। 
  4. অর্থ ডিপোজিট করবেন না। 
  5. ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। 
  6. প্রত্যেকটি অ্যাপস নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করতে হবে। 

লেখকের মন্তব্য - টাকা ইনকাম করার অ্যাপ

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ, এই আর্টিকেলে আমরা টাকা ইনকাম করার অ্যাপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি পোস্টে পড়ে আপনার উপকৃত হয়েছেন। এরকম অনলাইন ইনকাম সম্পর্কিত তথ্য বহুল পোস্ট পড়ে আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। 

অন্য কোন আর্টিকেলে অনলাইন ইনকাম সম্পর্কিত আরো তথ্য আমি শেয়ার করব। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। 27.11.25

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি পদ্মা মেইলের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url