দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম করার দুর্দান্ত ৩৫টি apps দেখে নিন

দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps সম্পর্কে জানতে অনেকে গুগলে সার্চ করে। এই আর্টিকেল থেকে আপনারা দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম করার দুর্দান্ত ৩৫টি apps দেখে নিন

পোস্টসূচীপত্রঃ-কেননা, আমি আর্টিকেলে দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps সম্পর্কে বিস্তারিত আলোApp  করেছি। 

দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম করার জন্য অনেক গুলো apps অনলাইনে রয়েছে। ইন্টারনেট সুবিধা কাজে লাগিয়ে আজকাল অ্যাপস থেকে ইনকাম করা যাচ্ছে। পুরো অনলাইন সেক্টর এখন অর্থের সাগর। আপনাকে শুধু অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য সঠিক উপায় গুলো জানতে হবে। অনলাইন থেকে রিসার্চ করে আমি কিছু বিশ্বস্ত নিরাপদ অ্যাপস খুঁজে বের করেছি। 

যেগুলো আমার কাছে সঠিক মনে হয়েছে। এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের ওই সমস্ত অ্যাপস সম্পর্কে জানাবো যেগুলো সহজ, যেগুলো থেকে ইনকাম করতে কোন ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন হয় না। দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps নিয়ে এ ব্লগ পোস্টে আমি বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এই অ্যাপসগুলো থেকে ইনকাম করতে আপনাকে দৈনিক ২/৩ ঘন্টা সময় ব্যয় করতে হবে। 

ইন্টারনেট থেকে ইনকাম করতে যে জিনিসটি সবথেকে বেশি প্রয়োজন সেটি হচ্ছে একাগ্রতা এবং সঠিক কৌশল। অনলাইন থেকে ইনকাম করতে না পারার অন্যতম কারণ হচ্ছে সঠিক কৌশল না জানা, লেগে থাকার মানসিকতার অভাব এবং ভুল পথে শ্রম দেওয়া। এজন্য অনলাইন থেকে ইনকাম করার পূর্বে সঠিক মাধ্যম নির্বাচন করা জরুরী। যেন ওই মাধ্যম থেকে ইনকাম করা যায়। 

আরো পড়ুনঃ- ডলার ইনকাম নগদ পেমেন্ট নিন ২৫টি সাইট, ২২টি অ্যাপস থেকে

আপনি যে পেশায় থাকুন না কেন অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে ইনকাম করতে প্রফেশনাল সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় না। সব পেশার মানুষের জন্য অনলাইন সেক্টর উন্মুক্ত। দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps সম্পর্কে জানতে আমরা প্রতিনিয়ত গুগল, facebook, ইউটিউবে সার্চ করে থাকি। এই আর্টিকেল থেকে থেকে আপনারা অ্যাপস থেকে ইনকামের বিস্তারিত গাইডলাইন জানতে পারবেন, সাথে অ্যাপস ব্যবহার করার পূর্বে যেভাবে সতর্কতা অবলম্বন করবেন সে বিষয়ে আলোচনা করব। 

অ্যাপস থেকে যেভাবে ইনকাম করবেন 

অ্যাপস থেকে ইনকাম করার পূর্বে আপনাকে কিছু নিয়মকানুন অনুসরণ করতে হবে। উক্ত নিয়ম-কানুন গুলো অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনি থেকে ইনকাম করার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেনঃ-

  1. গুগল প্লে স্টোর থেকে প্রথমে আপনাকে অ্যাপস ডাউনলোড করে নিতে হবে। সকল ধরনের অ্যাপস গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করা যায়। 
  2. অ্যাপস ইনস্টল করা হয়ে গেলে আপনাকে উক্ত এপ্স এর একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন বা সাইন আপ করতে হবে।
  3. অ্যাপসে একাউন্ট খোলা হয়ে গেলে অ্যাপসে যে যে কাজগুলো পাবেন ওই কাজগুলো আপনাকে করতে হবে। মূলত অ্যাপসের ড্যাশবোর্ডে গেলে আপনি কাজগুলো দেখতে পারবেন। 
  4. এরপর প্রতিদিন অ্যাপস থেকে কাজ করে যেতে হবে। একদিনও যেন বাদ না পড়ে। 
  5. আপনি যে এপ্সে কাজ করবেন উক্ত অ্যাপসের নীতিমালা গুলো ভালোভাবে পড়ে নিবেন, পেমেন্ট মেথডগুলো ভালোভাবে জেনে নিবেন। এভাবে অ্যাপস থেকে ইনকাম করতে হয়।

অ্যাপস থেকে ইনকামের সুবিধা 

  1. অ্যাপস গুলো সহজে ডাউনলোড করা যায় গুগল প্লে স্টোর থেকে।
  2. অ্যাপস ডেভেলপাররা এমন ভাবে অ্যাপসগুলো তৈরি করেছে, যে কেউ অ্যাপস গুলো সহজে ব্যবহার করতে পারে। 
  3. অ্যাপসগুলো থেকে ইনকাম করতে দৈনিক ২/৩ ঘন্টা সময় দরকার হয় অথবা তার থেকে কম সময় প্রয়োজন।
  4. অ্যাপসগুলোর মধ্যে রয়েছে কাজের বৈচিত্র। আপনি যদি গেম খেলতে পছন্দ করেন, গেম খেলে ইনকাম করতে পারবেন। আপনি যদি ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন, ভিডিও দেখে আয় করতে পারবেন। অ্যাড দেখতে চাইলে, অ্যাড দেখে ইনকাম করতে পারবেন। আপনার যা ইচ্ছা হয় সে কাজগুলো করে ইনকাম করা যায়। 
  5. অ্যাপসগুলোতে কাজ করতে সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় না। 
  6. যে কোন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে উক্ত অ্যাপস থেকে ইনকাম করতে পারে। 

অ্যাপস থেকে ইনকামের অসুবিধা

  1. কিছু কিছু অ্যাপস রয়েছে, যেগুলো হঠাৎ করে হারিয়ে যায়। অর্থাৎ স্থায়িত্ব কম। 
  2. অ্যাপস গুলো থেকে খুব বেশি টাকা ইনকাম করা যায় না। তবে বাড়তি ইনকামের জন্য একাধিক অ্যাপস নিয়ে কাজ করতে পারেন। 

সতর্কতা - দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps

যেকোনো অ্যাপস অন্ধের মতো বিশ্বাস করা যাবে না, অ্যাপস ব্যবহারের পূর্বে আপনাকে উক্ত অ্যাপসের  নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করে দেখতে হবে। অ্যাপস ব্যবহার করবে আপনি যে কৌশল গুলো অবলম্বন করতে পারেনঃ-

  1. গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে দেখবেন ওই অ্যাপসটি কতবার ডাউনলোড হয়েছে। 
  2. যারা অ্যাপসগুলো ব্যবহার করেছে তাদের মতামত গুলো নেওয়ার চেষ্টা করবেন। 
  3. অ্যাপসগুলোর রিভিউ কেমন, রেটিং স্কোর কত, অ্যাপসগুলোর কমেন্ট সেকশনে গিয়ে কমেন্টগুলো পড়বেন। 
  4.  অ্যাপস ব্যবহার করতে গিয়ে যদি এপ্স থেকে আপনাকে টাকা ডিপোজিট করতে বলে, তাহলে ডিপোজিট করবেন না। ওই অ্যাপটি ব্যবহার করা বন্ধ করুন। 
  5. ব্যক্তিগত যেকোনো ধরনের ডাটা বা তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। 
  6. যদি কাজ করার পরেও পেমেন্ট না করে তাহলে ওই অ্যাপসটি ব্যবহার বন্ধ করে দিন। 

এই কৌশল গুলো অবলম্বন করলে আশা করি কোনভাবে ঠকবেন না। 

1) google opinion rewards - দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps 

এটি এমন একটি অ্যাপস যেখানে ব্যবহারকারীদের সহজ সহজ প্রশ্নের উত্তরের বিনিময়ে google নিজে পেমেন্ট করে থাকে। বিভিন্ন পণ্য বা সেবা সম্পর্কে এই অ্যাপসে ব্যবহারকারীদের প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন পণ্য বার সেবা সম্পর্কে মতামত জানার জন্য সার্ভে করিয়ে থাকি, এই সার্ভেগুলো সম্পূর্ণ করা হয় বিভিন্ন অ্যাপস এর সাহায্যে।

যখন ব্যবহারকারীরা অ্যাপস গুলো ডাউনলোড করে, সার্ভে করে, বিনিময়ে তাদের কিছু টাকা দেয়া হয়। এইভাবে অ্যাপস থেকে ব্যবহারকারীরা অ্যাপস থেকে ইনকাম করে থাকে। এই অ্যাপস থেকে ব্যবহারকারীরা দৈনিক ৫০/১০০ টাকা ইনকাম করতে পারে। এপ্স কর্তৃপক্ষ যে কয়টি সার্ভে করার অনুমতি দিবে আপনি সে কয়টি সার্ভে করতে পারবেন। এই অ্যাপসটি শতভাগ নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

2) paisa pay App

এই অ্যাপসটি ইনস্টল করলেই বোনাস পাওয়া যায়, যা নতুনদের জন্য উপযুক্ত। এই অ্যাপসে আপনাকে সুনির্দিষ্ট কিছু টাক্স দেয়া হবে। সে টাস্কগুলো আপনাকে কমপ্লিট করতে হবে। প্রতিটি কাজের বিনিময়ে আপনার একাউন্টে পয়েন্ট যুক্ত হবে। তারপর সেগুলো পরবর্তীতে টাকায় রূপান্তর করে মোবাইল রিচার্জ অথবা নগদের মাধ্যমে উইথড্রো করতে পারবেন। 

এই অ্যাপসটি চালানো খুবই সহজ। আপনি অনায়াসে এই অ্যাপস থেকে ২০০ - ৩০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। কোন ধরনের বিনিয়োগ করতে হয় না। পেমেন্ট মেথড গুলো সহজলভ্য। 

3) Tasker App

এটি একটি মজার অ্যাপস। আপনি কি টাইপিং করতে, গ্রাফিক্স এর কাজ করতে, ডাটা এন্ট্রি, ভাষার অনুবাদ করতে পছন্দ করেন ?  তাহলে এই অ্যাপসটি আপনার জন্য perfect. এটা একটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম, ঘরে বসে স্মার্ট ডিভাইস দিয়ে আপনি এই কাজগুলো করতে পারবেন। এই অ্যাপসটি হচ্ছে বৈচিত্র্যময়। 

নিজ দক্ষতা অনুযায়ী কাজের সুযোগ রয়েছে। এই অ্যাপসে স্মার্টলী কাজ করলে অন্তত দৈনিক ৩০০ টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন। অ্যাপসটি ব্যবহারকারীদের সময়মতো পেমেন্ট করে থাকে। 

4) Databuddy App

অ্যাপস ডাউনলোড করে, রেফার করে, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে ইনকাম করার সহজ প্ল্যাটফর্ম হল Databuddy App. এখানে প্রতিটি কাজের বিনিময়ে আপনাকে পয়েন্ট দেওয়া হবে। যখন আপনার একাউন্টে এই এপসের নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট যুক্ত হবে তখন আপনি সেগুলো টাকায় কনভার্ট করতে পারবেন। 

আরো পড়ুনঃ- অনলাইন ইনকাম সাইট বিকাশ পেমেন্ট নিন শ্রেষ্ঠ ৩৫টি উপায়ে

ইহা প্যাসিভ ইনকামের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম। দৈনিক যত কাজ করবেন তত বেশি ইনকাম হবে। আপনার মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি যদি একজন শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন তাহলে এই অ্যাপসটা আপনার জন্য বেটার হবে। এই অ্যাপস থেকে আপনি দৈনিক ৩০০ টাকার বেশি আয় করতে পারবেন। 

5) Fiverr App

ফাইবার হচ্ছে বিশ্বের সব থেকে বড় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট। এখানে কোন একটি কাজে দক্ষ হয়ে আপনাকে এ মার্কেটপ্লেস থেকে ইনকাম করতে হবে। আপনারা যারা অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে চান ?  তাদের জন্য ফাইবার মার্কেটপ্লেস সর্বোত্তম। বিশ্বের বড় বড় ফ্রিল্যান্সাররা এ মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং সেবা প্রদান করে আয় করে।  

এই মার্কেটপ্লেস থেকে ইনকাম করতে হলে আপনাকে কোন একটি কাজে স্কিলড হওয়া দরকার। ক্লায়েন্ট যদি আপনার কাজের সন্তুষ্ট না হয়, ফাইবার মার্কেটপ্লেসে যদি অভিযোগ করে তাহলে ফাইবার কর্তৃপক্ষ আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে। এখানে আপনাকে নিজের দক্ষতা বিক্রি করে আয় করতে হবে। 

আপনি যত ভালো ফ্রিল্যান্সিং সেবা প্রোভাইড করবেন, তত বেশি ইনকাম করতে সক্ষম হবেন। ভালো ফ্রিল্যান্সারদের এই মার্কেটপ্লেসে কদর রয়েছে। ফাইবারে বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া যায় যেমনঃ- গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, এসইও, ভিডিও এডিটিং, লোগো ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি সহ আরো অন্যান্য কাজের অনেক দাম রয়েছে, এ মার্কেটপ্লেসে। 

এই মার্কেটপ্লেস এ কাজ করার জন্য আপনাকে কোন একটি ফ্রিল্যান্সিং কাজে দক্ষ হতে হবে। এরপর আপনাকে Fiverr.com এখানে প্রবেশ করে একটা অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এখন খোলা হয়ে গেলে গিগ তৈরি করতে হবে। গিগে আপনার কাজের এক্সপেরিয়েন্স সংক্ষিপ্ত ভাষায় তুলে ধরতে হবে। এবং প্রতিনিয়ত ক্লায়েন্টেদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে কাজের জন্য।

এটা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম। এখানে ফ্রিল্যান্সারদের কাজের রয়েছে নিজস্ব স্বাধীনতা। আপনি আপনার স্কিলড অনুযায়ী কাজ করে আয় করতে পারবেন। এ মার্কেট থেকে আয়কৃত টাকা সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন। কাজেই, যারা ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্যারিয়ার গড়তে চান তাদের জন্য ফাইবার মার্কেটপ্লেস সেরা। 

6) Shohoz App

দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম করার জন্য Shohoz App টি আপনার জন্য সেরা হবে। আপনার ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে এই অ্যাপসে কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন। এই এপস এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্নভাবে আয় করতে পারেন। 

রাইড শেয়ারিংঃ- রাইড শেয়ারিং বলতে কাউকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে তার কাছ থেকে টাকা নেওয়া। রাইড শেয়ারিং করার জন্য আপনার নিজস্ব একটি বাইক অথবা গাড়ি থাকতে হবে। রাইড শেয়ারিং করতে চান তাহলে Shohoz App এ একটি অ্যাকাউন্ট খুলুন। কেউ যখন আপনাকে নক দিবেন, তখন আপনি তাদের ড্রাইভিং সার্ভিস দিয়ে ইনকাম করতে পারেন দৈনিক ৫০০ টাকার বেশি। 

ডেলিভারী ম্যান এর কাজ: এখানে মূলত আপনাকে খাবার বা প্রোডাক্ট গ্রাহকদের নিকট পৌঁছে দিতে হবে। Shohoz App এর মাধ্যমে ডেলিভারি ম্যান এর কাজ করার জন্য আপনার নিজস্ব একটি ফোন, বাইক/সাইকেল থাকতে হবে। অতঃপর Shohoz App এ  ডেলিভারী ম্যান হিসেবে আপনার একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রতিটি ডেলিভারির জন্য ৫০ - ১০০ টাকা পর্যন্ত চার্জ করতে পারেন। এই কাজগুলো করে আপনি দৈনিক আরামে ৫০০ টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন। 

7) Swagbucks App - দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps

অনলাইন জগতে টাকা ইনকাম করার সর্বাধিক পরিচিত একটি হলো Swagbucks. যারা অনলাইনে ইনকাম নিয়ে ঘাটাঁঘাটি করে Swagbucks নাম শুনে নি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই অ্যাপস থেকে একাধিক উপায় ইনকাম করেছে যেমনঃ- অনলাইনে শপিং করে, রেফারেল প্রোগ্রাম করে, সার্ভে করুন, অনলাইনে গেম খেলে ইত্যাদিভাবে ইনকাম করতে হয়। 

এই অ্যাপস এ কাজ করে আপনি সরাসরি টাকা পাবেন না। প্রতিটি কাজের বিনিময়ে আপনাকে পয়েন্ট দেয়া হবে। আপনার একাউন্টে যখন ৫ ডলার ছাড়া হবে তখন আপনি Paypal, Gift Card, Walmart  এর মাধ্যমে উইড্রো করে নিতে পারবেন। ১ ডলার = ১,০০০ পয়েন্ট হিসেব করা হয়।

8) google adsense 

এটা কোন অ্যাপস নয়। এটা একটি এড নেটওয়ার্ক। যেহেতু আপনারা গুগলে সার্চ করে দিনে ৫০০ টাকায় ইনকাম সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন সেজন্য আমি google adsense নিয়ে আলোচনা করছি। এটি এমন একটি অ্যাড নেটওয়ার্ক, যেখানে গুগল নিজেই ব্যবহারকারীদের পেমেন্ট করে থাকে। এই পেমেন্ট গুলো আপনি সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন। 

আরো পড়ুনঃ- দিনে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করুন দুর্দান্ত ৪৫টি উপায়ে

google adsense থেকে ইনকামের জন্য প্রয়োজন একটি ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেল। ওয়েবসাইটে নিয়মিত আর্টিকেল লিখে অথবা youtube এ নিয়মিত ভিডিও কন্টেন্ট আপলোড করে যখন বেশি পরিমাণে ট্রাফিক আসবে তখন google এডসেন্স এপ্রুভ করে ইনকাম শুরু করে দিতে পারে। যদি ভালো পরিমান ভিজিটর নিয়ে আসতে পারেন তাহলে এই এডসেন্স থেকে আপনি প্রতি মাসে লাখ টাকা ইনকাম করতে সক্ষম হবেন।

 9) Sprout Gigs

 যারা একেবারে নতুন, কোন কাজ জানেন না তাদের জন্য Sprout Gigs বেস্ট প্লাটফর্ম। এই প্লাটফর্ম থেকে আয়ের জন্য আপনাকে ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করতে হবে। আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে এই কাজগুলো আপনি করতে পারবেন। যারা কোন অভিজ্ঞতা ছাড়া অনলাইন থেকে আয় করতে চাচ্ছেন, জন্য Sprout Gigs সর্বোত্তম প্লাটফর্ম। 

 10) Adsterra.com

এটা কোন এপ্স নয়, তবে এটা google adsense এর মতো এড নেটওয়ার্ক। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে তাহলে সেখানে Adsterra নেটওয়ার্ক চালু করুন ইনকাম করতে পারবেন। আপনার ওয়েবসাইটে যদি ভালো পরিবারের ট্রাফিক আসেন তাহলে এই এড নেটওয়ার্ক থেকে প্রতি মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতে পারবেন। আপনার একাউন্টে যদি ৫ ডলার হয় তাহলে ক্যাশ আউট করতে পারবেন।

 11) Bkash App

অনেকে আমরা বিকাশ অ্যাপস ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু বিকাশ অ্যাপস ব্যবহার করে কিভাবে ইনকাম করতে হয় তা হয়তো আমরা অনেকে জানি না। বিকাশ হচ্ছে বাংলাদেশের একটি মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান। এই বিকাশ অ্যাপস থেকে আপনি নিজেও দিনে ৫০০ টাকার মত ইনকাম করতে পারবেন। 

এই বিকাশ অ্যাপসে কুইজ খেলে কুইজ জিতে, বিকাশ অ্যাপসটি অন্যদের নিকট রেফার করে ইনকাম করতে হবে। তাছাড়া, অর্থের পাশাপাশি বিকাশ অ্যাপস থেকে নগদ পুরস্কার জেতার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। 

12)  Uber App

মূলত এই অ্যাপসটি বিখ্যাত রাইড শেয়ারিং এর জন্য। মূলত অর্থের বিনিময়ে গ্রাহকদের ড্রাইভিং সেবা দেওয়া হয়। এই অ্যাপস থেকে ইনকামের জন্য আপনার প্রয়োজন একটি স্মার্টফোন, মোটরসাইকেল, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি। বাংলাদেশের ঢাকা শহরে Uber App এর মাধ্যমে রাইড শেয়ারিং এর জনপ্রিয়তা আকাশ ছোঁয়া। 

গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপস টি ইন্সটল করে নিজের প্রোফাইল সেটআপ করে Uber App এ একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। যাত্রীরা ড্রাইভিং সেবার জন্য আপনাকে কল দিবে। দূরত্ব অনুযায়ী আপনি ভাড়া চার্জ করতে পারেন। প্রতিজন যাত্রীর নিকট থেকে যদি ৬০/৭০/৮০/১০০ টাকা চার্জ করতে পারেন তাহলে আপনি দিনে ৫০০ টাকার দেশে ইনকাম করতে পারবেন। 

13) Food Panda App

যারা পার্ট টাইম জব খুঁজছেন ?  তাদের জন্য Food Panda পারফেক্ট জব হতে পারে। এখানে আপনাদের ফুড ডেলিভারির কাজ করতে হবে। অসংখ্য ইয়াং স্টুডেন্ট যারা Food Panda তে জব করছে। ফুড উপার্জিত অর্থ নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন।

এখানে শুধু কায়িক পরিশ্রমটুকু করতে হয়। Food Panda তে কাজ করে আপনি দিনে ৫০০ টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন। অনেকে Food Panda তে জব করে দৈনিক ১০০০ টাকার বেশি ইনকাম করছে। 

14) Work up job App - দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps

মাইক্রো টাক্স কমপ্লিট করে আয় করার অন্যতম প্ল্যাটফর্ম Work up job. এটি একটি বাংলাদেশী আর্নিং প্ল্যাটফর্ম। গুগলে সার্চ করে অথবা google প্লে স্টোর থেকে অ্যাপসটি পেয়ে যাবেন। যে সকল স্টুডেন্ট পার্ট টাইম জব খুঁজছেন, তাদের জন্য Work up job বেটার হতে পারে। এই অ্যাপস থেকে দৈনিক অল্প সময় ব্যয় করে, কম পরিশ্রম করে ইনকাম করা যায়। 

এই অ্যাপসটি চালাতে ভারী কোন ডিভাইসের প্রয়োজন নেই, মোবাইল ফোন দিয়ে হবে। এই অ্যাপসের ছোট ছোট টাক্স পাওয়া যায় যেমনঃ- ফেসবুকে ফলো করা, youtube সাবস্ক্রাইব করা, রেফার করা, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা, ৮/১০ সেকেন্ডের ভিডিও দেখা ইত্যাদি। Work up job থেকে এই কাজগুলো করে আপনি আয় করতে পারবেন। 

15) Daraz App

বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান Daraz. বাংলাদেশের অনেক তরুণ এই দারাজের হয়ে কাজ করে থাকে। অনলাইনে কেনাকাটার জন্য এই দারাজ অ্যাপ টি অনেকের পছন্দের শীর্ষ তালিকায় আছে। যেকোনো প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট এ দারাজ নামক ই- কমার্স প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়। 

আরো পড়ুনঃ- ডিপোজিট ছাড়া ইনকাম সাইট ২৫টি এক নজরে দেখে নিন ২০২৫

আপনি দারাজের হয়ে বিভিন্নভাবে ইনকাম করতে পারবেন। দারাজের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম করে, রিসেলার হয়ে, প্রোডাক্ট ডেলিভার জব করে ইত্যাদি। দীর্ঘদিন ধরে এ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে আস্থা ও বিশ্বাসের সহিত কাজ করছে। তাই, আশা করা যায় এই দারাজ নামক অ্যাপস থেকে আপনি দিনে ৫০০ টাকার বেশি আয় করতে পারবেন। 

16) Youtube App

ভিডিও কনটেন্ট বানিয়ে আয় করার অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হল Youtube. আপনার যে বিষয় জ্ঞান রয়েছে সে বিষয়ে ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন। ধরুন, আপনি যদি মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ জানেন, তাহলে মোবাইল সার্ভিসিং রিলেটেড ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড করে আয় করতে পারবেন। 

আপনি যদি ড্রইং বা চিত্র অংকন করা জানেন, তাহলে ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড করে আয় করতে পারবেন। অর্থাৎ, যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান রয়েছে সে বিষয়ে ইউটিউবে video content তৈরি করতে পারবেন। যখন আপনার youtube এক হাজার সাবস্ক্রাইবার, ওয়াচ টাইম চার হাজার ঘন্টা পূর্ণ হবে তখন আপনি গুগল এডসেন্সের জন্য আবেদন করে ইনকাম করতে পারবেন। ইউটিউব থেকে ইনকামের উৎস হলো গুগল এডসেন্স। 

17) Facebook App

অনলাইনে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো ফেসবুক। বর্তমানে ফেসবুক অনলাইন থেকে ইনকামের বিশ্বস্ত মাধ্যম হয়ে উঠেছে। অনেকে ফেসবুক কে শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে দেখে। facebook বিনোদনের মাধ্যম এতটুকু পরিচয়ে সীমাবদ্ধ নয়, facebook বেকারত্ব দূর করার অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। 

ব্যবহারকারীরা ফেসবুক থেকে একাধিক উপায়ে ইনকাম করতে পারে যেমনঃ- ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে তা মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে, অ্যাফিলিয়েট করে, ব্রান্ড প্রমোশন করে, ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে, লাইভ স্ট্রিম - শর্ট ভিডিও facebook আপলোড করে ইনকাম করা যায়। অনেকে বাংলাদেশে বসে ফেসবুক থেকে ইনকাম করছে। কাজেই, ফেসবুক বর্তমানে বিশ্বস্ত আরনিং প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। 

18) Daily taka App

এটা বাংলাদেশী অ্যাপ, এই অ্যাপসটাতে কাজ করে পেমেন্ট বিকাশ অথবা নগদের মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন। এখানে কুইজ খেলে, পার্ট টাইম টাক্স যেমনঃ- রেফার করে, গেম খেলে, সার্ভে করে ইত্যাদি কমপ্লিট করে আয় করা যায়। এখানে কোন প্রকার বিনিয়োগ করতে হয় না। ফ্রি একাউন্ট খুলে কাজ করতে পারবেন।

এই অ্যাপস কতটুকু নির্ভরযোগ্য জন্য রিভিউ, ফিডব্যাক এগুলো চেক করে নিবেন।  প্রথমে আপনাকে অ্যাপসটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে সাইন আপ করতে হবে। এপসের নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করে ইনকাম শুরু করতে পারেন। 

19) Ysense App

এটা হচ্ছে একটি মাল্টি টাক্স অ্যাপস। এই অ্যাপসটি ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটা করে, সার্ভে করে, গেম খেলে ইনকামের সুযোগ করে দেয়। এই অ্যাপস থেকে প্রতিটি কাজ সময় নিয়ে সুন্দরভাবে করতে হয়। কেননা, এখানে প্রতিটি কাজ গুরুত্ব সহকারে মূল্যায়ন করা হয়। 

এই অ্যাপসে আপনি যত বেশি সময় দিতে পারবেন তত বেশি ইনকাম করতে পারবেন। আপনি আপনার অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে এই অ্যাপস থেকে ইনকাম শুরু করে দিতে পারেন। Ysense একটা বিদেশি এপ্স। এই অ্যাপস থেকে উপার্জিত অর্থ পেপাল এর মাধ্যমে উইড্রো করতে হবে। 

20) Taka Income App

এই অ্যাপসে কাজ করে নগদ পুরস্কার জেতার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। এখানে প্রতিটি কাজের বিনিময়ে আপনাকে কয়েন দেয়া হবে। অ্যাপসের নীতিমালা অনুযায়ী যখন আপনার একাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ কয়েন যুক্ত হবে তখন আপনি তা টাকা তে কনভার্ট করতে পারবেন।

এই অ্যাপসটি ব্যবহারকারীদের ফ্রি কুইজ খেলে ইনকামের সুযোগ করে দেয়। যেহেতু এটা বাংলাদেশি অ্যাপস, আপনি এখান থেকে নগদ অথবা বিকাশ পেমেন্ট সংগ্রহ করতে পারবেন। 

21) Alamy App - দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps

ফটোগ্রাফার রা তাদের ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবিগুলো Alamy platform এর মাধ্যমিক বিক্রি করে আয় করে থাকে। আপনি যদি ফটো তুলতে পছন্দ করেন, ফটো তোলা এটা যদি আপনার নেশা হয়ে থাকে, তাহলে আপনি সহজে তোলা ফটোগুলো  Alamy Apps এর মাধ্যমে বিক্রি করে আয় করতে পারেন।

Alamy হচ্ছে ফটো ইমেজ স্টক। তবে মাথায় রাখতে হবে, এখান থেকে ইনকাম করাটা একটু কষ্টের। কারণ, এখানে তোলা ছবিগুলো শতভাগ ইউনিক হতে হবে, নিখুঁত হওয়া লাগবে, দর্শকরা পছন্দ করে এমন ছবিগুলো আপনাদের তুলতে হবে। 

আরো পড়ুনঃ- ফ্রি টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট 2025 - দেরি করলে মিস !

আপনার তোলা প্রতিটি ছবি ৫০০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। যেহেতু,  এটা বিদেশি প্ল্যাটফর্ম, এখান থেকে পেমেন্ট পেপাল অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে উইড্রো করতে হবে। যদি এই অ্যাপসে অন্য কোন পেমেন্ট মেথড সেটআপ করে থাকে, তাহলে ওই পেমেন্ট মেথডের মাধ্যমে পেমেন্ট রিসিভ করতে হবে। 

22) Upwork. Com

এটি একটি ফ্রীল্যান্সিং সার্ভিস প্রদান করা অনলাইন প্লাটফর্ম। এখানে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে ইনকাম করার জন্য দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা দুটোই প্রয়োজন। কাজ না জানলে, Upwork  থেকে ইনকাম করা একেবারে অসম্ভব। এখানে কাজের জন্য বায়ারদের সাথে কন্টাক্ট করতে হয়। 

ফ্রিল্যান্সিং কাজ যেমনঃ- কনটেন্ট রাইটিং, ডাটা এন্ট্রি, ইউটিউবের জন্য থাম্বনেইল তৈরি, লোগো বা ব্যানার ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট, ভিডিও এডিটিং ও এনিমেশন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভার্চুয়াল assistant, SEO ইত্যাদি সহ আরো অন্যান্য কাজ Upwork ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে করা যায়। 

উপরোক্ত ফ্রীল্যান্সিং যেকোনো একটি কাজ আপনাকে শিখতে হবে। upwork ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে আপনাকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এরপর কাজ পাওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত বিট করতে হবে। যাতে বায়ারদের নিকট থেকে সহজে কাজ পাওয়া যায়। 

23) Telegram App

এটি যোগাযোগের জন্য তৈরি করা হলেও, বর্তমানে টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম থেকে বিজ্ঞাপন প্রচার, এফিলিয়েট মার্কেটিং, স্পনসরশীপ, অনলাইনে কোর্স বিক্রি, ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি যেমনঃ- ফেসবুক পেজ ইত্যাদি এর মাধ্যমে আয় করা যায়। তবে টেলিগ্রাম প্লাটফর্মে আপনি কোন প্রকার ভিডিও কনটেন্ট আপলোড করতে পারবেন না। 

এখানে আপনাকে গ্রুপ তৈরি করতে হবে, ফেসবুকের মত। গ্রুপে মানুষের সংখ্যা যত বেশি হবে, মার্কেটিং করা তত সুবিধা হবে। এজন্য আপনাকে টেলিগ্রাম গ্রুপ বা চ্যানেলের বেশি থেকে বেশি প্রচার প্রচারণা করতে হবে। আপনার টেলিগ্রাম গ্রুপে যত বেশি মানুষ যুক্ত হবে তত বেশি মার্কেটিং করে ইনকাম করা সহজ হবে। টেলিগ্রাম এর মাধ্যমে পরিচিত অপরিচিত মানুষদের সাথে নেটওয়ার্ক বিল্ডিং করার সহজ হয়।

24) LinkedIn App

এটা মূলত কাজ খোঁজার একটি প্ল্যাটফর্ম। এই অ্যাপসে রেজিস্ট্রেশন করে নিজস্ব প্রফেশনাল অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে। ধরুন, আপনি ভিডিও এডিটিং এর কাজ খুব ভালো জানেন। কিন্তু, আপনার হাতে এই মুহূর্তে কোন কাজ নেই। আপনি কাজ পাওয়ার জন্য LikedIn  এ বিজ্ঞাপন দিবেন। 

এবং আপনার সাথে গ্রাহকরা কিভাবে যোগাযোগ করবে, যোগাযোগের বিস্তারিত মাধ্যম গুলো শেয়ার করবেন যেমনঃ- WhatsApp number. ভিডিও এডিটিং সার্ভিস যার প্রয়োজন হবে সে আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। শুধু ভিডিও এডিটিং না, আপনি যে যে কাজ জানেন ওই সকল কাজের বিজ্ঞাপন লিংকডিনে শেয়ার করে ইনকাম করা যায়। এভাবে আপনি লিংকডিন থেকে দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম করতে পারেন।

25) Foap App

ফটো বিক্রি করার একটি অ্যাপ্লিকেশন Foap App. প্লে স্টোর থেকে আপনাকে অ্যাপসটি ইন্সটল করে একাউন্ট তৈরি করতে হবে। যেকোনো ধরনের ছবি তুলে এই অ্যাপ্লিকেশনে আপলোড করা যায় যেমনঃ- ফুল, ফল, নদী, পাখি, যেকোনো অপরুপ সুন্দর দৃশ্যের ছবি তুলে  Foap এ আপলোড করতে হবে। 

আরো পড়ুনঃ- ফ্রি টাকা ইনকাম apps ২০+ ২০২৫ সালের জন্য দেখে নিন

আপনার আপলোডকৃত ছবির ক্রয়মূল্য অ্যাটাচ করে দিবেন। আপনার তোলা ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করুন। কিছু কিছু ছবি ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি করে দেন। যাতে তারা ছবিগুলো ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারে। এতে আপনার তোলা ছবিগুলোর মার্কেটিং করার সহজ হবে। 

26) Mcent App

Mcent অ্যাপসটি ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন টাক্স ও অফার কমপ্লিট করে ইনকাম করার সুযোগ করে দেয়। আপনি হয়তো একটি মাত্র জিমেইল একাউন্ট দিয়ে লগ ইন করে খুব বেশিটা ইনকাম করতে পারবেন না। তবে আপনি একাধিক জিমেইল অ্যাপসটি লগইন করে ইনকাম করতে পারেন। তাছাড়া অ্যাপসটি বন্ধুদের সাথে রেফার  করেও ইনকাম করা যায় 

27) Yumchek App - দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps

এটি একটি অনলাইন ইনকাম অ্যাপস। একাধিক উপায়ে Yumchek apps থেকে ব্যবহারকারীরা ইনকাম করতে পারেন যেমনঃ- এনকোড স্ক্যান করে, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে, ভিডিও দেখে এই অ্যাপস থেকে ইনকাম করা যায়। তবে অ্যাপস থেকে ইনকামের জন্য আপনার কাছে যে অফার গুলো নির্ধারণ করা হবে, উক্ত টাক্স গুলো আপনাকে সম্পন্ন করতে হবে। 

প্রতিটি টাক্স সম্পন্ন করার বিনিময়ে আপনাকে কিছু পয়েন্ট দেওয়া হবে। বিভিন্ন অফারের কাজগুলো কমপ্লিট করলে অতিরিক্ত পয়েন্ট আর্নিংস করার সুযোগ থাকে। আপনারা আর্নিংস করা পয়েন্টগুলো মোবাইল রিচার্জ এর মাধ্যমে নিতে পারবেন। 

 28) Slidejoy App

আপনি এই অ্যাপস টি ব্যবহার করলে মোবাইল ফোনের লক স্ক্রিনে বিজ্ঞাপন দেখে আয় করতে পারেন। এই অ্যাপসে একটি একাউন্ট তৈরি করে, প্রোফাইল সেটিংস করতে হবে। বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিজ্ঞাপন এই অ্যাপসে পাওয়া যায়। আপনি ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে, 

উক্ত ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিজ্ঞাপন দেখে, আপনাকে পয়েন্ট আর্ন করতে হবে। এ পয়েন্টগুলো আপনি বিভিন্ন উপায়ে উইড্র করতে পারবেন যেমনঃ- মোবাইল রিচার্জ করে, বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করতে পারেন। 

29) Meesho App

প্রোডাক্ট বিক্রয় করার একটি প্ল্যাটফর্ম হলো Meesho App. আপনি নিজ ইচ্ছা মত পণ্য ক্যাটাগরী অনুযায়ী বিক্রয় করতে পারবেন। এজন্য প্রথমে গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপস টি ইন্সটল করে, নাম - মোবাইল নাম্বার - জিমেইল এড্রেস দিয়ে অ্যাপসটি সাইন আপ করতে হবে। এরপর আপনার পণ্যের ক্যাটাগরি সিলেক্ট করুন। 

উক্ত ক্যাটেগরী অনুযায়ী আপনার পন্যের ছবি, বিবরণ, দাম আপলোড করুন। এরপর আপনার পণ্যের লিংকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন। কেউ প্রোডাক্ট ক্রয় করতে চাইলে আপনার সাথে যোগাযোগ করবেন। 

 30) Survey App

গবেষণার জন্য বড় বড় কোম্পানিগুলো কাস্টমারদের মতামত নিয়ে থাকে। সব অ্যাপসে সার্ভে করা যায় না। সার্ভে করার জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি অ্যাপস রয়েছে যেমনঃ- Survey junkie,  Swagbucks, Toluna ইত্যাদি। সার্ভে করার জন্য আপনাকে এই অ্যাপসগুলোতে ইন্সটল করে একাউন্ট তৈরি করতে হবে। 

প্রতিটি সার্ভে কমপ্লিট করার পর আপনি পয়েন্ট পাবেন। অ্যাপস নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট অ্যাকাউন্টে জড়ো হয়ে গেলে, তবে আপনি তা টাকায় কনভার্ট করতে পারবেন। 

31) Remotasks App

Remotasks App এর মাধ্যমে আপনি দিনে ৫০০ টাকার মত ইনকাম করতে পারবেন। এই অ্যাপসটা আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে জিমেইল এড্রেস দিয়ে। এই অ্যাপসে ড্যাশবোর্ডে বিভিন্ন ক্যাটাগরীর কাজ পাওয়া যায় যেমনঃ- 3D লেভেলিং, ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও লেভেলিং ইত্যাদি এ সমস্ত কাজ করতে পারবেন। 

আরো পড়ুনঃ- মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সেরা ২৫+ উপায় ২০২৫ সালে

এই কাজগুলো আপনাকে জানতে হবে। নতুবা এ প্লাটফর্মটি আপনার জন্য উপযুক্ত নয়। কাজের মান ঠিক রাখুন। ভালো মত কাজ জানলে, এই অ্যাপস বা ওয়েবসাইট থেকে দৈনিক ৫০০ টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন। 

32) Toffee App

যারা ইন্টারনেটে ইনকাম নিয়ে খোঁজ করেন তারা টফি অ্যাপ সম্পর্কে জেনে থাকবেন। টফি এটা একটি বিনোদনমূলক অ্যাপস এর মত। এখানে কাজ করে মজা পাওয়া যায়। এখানে কাজের বিনিময়ে পয়েন্ট আয় করতে হয়, পরবর্তীতে তা নগদের মাধ্যমে উত্তোলন করা যায়। টফি তে বিভিন্ন ক্যাটাগরীর কাজ রয়েছে। 

এখানে আপনি রেফারেল প্রোগ্রাম করে, ফ্রী কুইজ খেলে, গেমিং টুর্নামেন্টগুলোতে অংশগ্রহণ করে, এড ক্লিক করে,,, ভিডিও দেখে,,, এখান থেকে ইনকাম করা যায়। অ্যাপসটি পরিচিত বন্ধুদের নিকট সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে ইনকাম বৃদ্ধি করা যায়।

প্রতিটি কাজের বিনিময়ে অটোমেটিক আপনার একাউন্টে পয়েন্ট চলে আসবে। Toffee App এর নীতিমালা অনুযায়ী, যখন নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট জড়ো হবে, তখন আপনি তা নগদের মাধ্যমে উত্তোলন করে নিতে পারেন। 

33) Affiliate marketing - দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps

মার্কেটিং করে প্যাসিভ ইনকামের অন্যতম কৌশল। প্যাসিভ ইনকাম মানে হল কোনদিন কাজ না করলেও আপনার একাউন্টে টাকা চলে আসবে। প্যাসিভ ইনকাম শুরু করার জন্য, আপনাকে শুরুর দিকে একটু বেশি খাটনি করতে হবে। বড় বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করার সুযোগ করে দেয়। 

আপনি যে সকল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের হয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন সেগুলো হলোঃ- অ্যামাজন, দারাজ, Shares sale ইত্যাদি। এ সকল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পণ্যের লিঙ্ক আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমনঃ- ফেসবুক, youtube, ওয়েবসাইট, টুইটার, ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করবেন। 

আপনার শেয়ার করা লিংকে ক্লিক করে কেউ যদি উক্ত ই কমার্স প্রতিষ্ঠানের পন্য ক্রয় করে, বিনিময়ে আপনাকে কমিশন দেয়া হবে। এটাকে বলছে অ্যাফিলেট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করা টাকা ব্যাংক অথবা পেপাল এর মাধ্যমে ক্যাশ আউট করতে পারবেন।

34) Digital marketing 

আগে মার্কেটিং পদ্ধতি ছিল এনালগ সিস্টেমে। এখন মার্কেটিং পদ্ধতি ডিজিটাল নিয়মে আনা হয়েছে। এজন্য বলা হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং করতে বিভিন্ন অনলাইন চ্যানেলগুলো ব্যবহার করতে হয় যেমনঃ- facebook, youtube,ওয়েবসাইট, টুইটার ইত্যাদি। 

ডিজিটাল চ্যানেলগুলো ব্যবহার করে মার্কেটিং করা হয় বিধায় একে ডিজিটাল মার্কেটিং নামে নামকরণ করা হয়েছে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্যে অনেক ধরনের রয়েছে যেমনঃ- ইমেইল মার্কেটিং, কনটেন্ট মার্কেটিং, SEO, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ভিডিও কনটেন্ট ইত্যাদি। যেগুলোকে সাধারণ ভাষায় ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়ে থাকে। 

আরো পড়ুনঃ- ফ্রি টাকা ইনকাম নগদে পেমেন্ট ২০২৫ ( বিস্তারিত গাইডলাইন )

বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং সেবা প্রদান করে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায়। এই ডিজিটাল মার্কেটিং সেবাগুলো প্রদান করে আপনি দিনে ৫০০ টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন। ডিজিটাল মার্কেটিং সেবা প্রদান করে ব্যাংক, পেপাল এর মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন। 

35) 2Captcha App

ক্যাপচা পূরণ করে আয় করতে কোন অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। ক্যাপচা পূরণ করে আয় করার জন্য আপনাকে 2Captcha App ইনস্টল করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এই অ্যাপ্সের হোম পেজের ড্যাশবোর্ডে গেলে ক্যাপচা পূরণ করার বিভিন্ন অপশন পেয়ে যাবেন।

এখানে আপনাকে ইমেজ অথবা টেক্সট ক্যাপচা করতে হবে। ক্যাপচা সম্পর্কে জানতে youtube ভিডিও দেখুন। এই ক্যাপচা গুলো ঠিকমতো পূরণ করে সাবমিট করুন। প্রতিটি ক্যাপচা করার বিনিময়ে আপনার একাউন্টে সামান্য পরিমাণ ডলার এড হবে। তারপর সেগুলো আপনি বিটকয়েন অথবা পেপাল এর মাধ্যমে ক্যাশ আউট করতে পারবেন। 

লেখকের মন্তব্য - দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps 

সম্মানিত পাঠক বৃন্দ এই আর্টিকেলে আমরা দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আমি আমার জায়গা থেকে, অনলাইন থেকে রিসার্চ করে সাধ্যমত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করার চেষ্টা করেছি। আশা করি পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে। 

পুরো সময় জুড়ে আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। পরবর্তীতে আমরা অনলাইন ইনকাম সম্পর্কিত ভিন্ন কোন আর্টিকেল নিয়ে কথা বলব। আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য, ধন্যবাদ। 26.11.25

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি পদ্মা মেইলের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url