কম্পিউটার কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি
কম্পিউটার কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি জানতে এই আর্টিকেলটি শেষ অব্দি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। ডিজিটাল যুগে কম্পিউটারে এক বিস্ময়কর উদ্ভাবন। আমরা দৈনন্দিন জীবনে নানান কাজে এই কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি। তার মধ্যে অন্যতম হলো হিসাব সংরক্ষণ।
পোস্ট সূচিপত্র:তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের বোর্ড পরীক্ষা অথবা চাকরির পরীক্ষায় কম্পিউটার কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি এ ধরনের প্রশ্নগুলো করা হয়ে থাকে। সুতরাং বুঝতে পারছেন এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য কতটা উপকারী হতে যাচ্ছে।
কম্পিউটার কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি
কম্পিউটার কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি এই বিষয়ে আমাদের সুস্পষ্ট জ্ঞান থাকা দরকার। কেননা, আমরা বর্তমানে প্রযুক্তির যুগে বসবাস করছি। আর দৈনন্দিন জীবনে প্রত্যেকটি কাজে আমরা কম্পিউটার এর উপর সরাসরি নির্ভরশীল। হিসাব সংরক্ষণ থেকে শুরু করে যেকোনো ধরনের জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান আমরা এই কম্পিউটারের মাধ্যমে করে থাকি।
কম্পিউটার কাকে বলে: কম্পিউটার হচ্ছে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা তথ্য উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এই কম্পিউটারে কাজের ধরন অনেকে স্মার্ট যেমন: ( ১ ) তথ্য প্রদান করা হয় ( ২ ) তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করা হয় ( ৩ ) তথ্য আউটপুট হিসেবে ডিসপ্লেতে প্রদর্শন করানো হয় ( ৪ ) সর্বশেষ এটা তথ্য সংরক্ষণ করে রাখে। এটা দিয়ে যেকোনো গাণিতিক সমস্যার সমাধান নির্ভুলভাবে করা সম্ভব। কম্পিউটারের প্রাথমিক যুগে শুধুমাত্র গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য এটি ব্যবহার হলেও বর্তমানে
বহুজাতিক কাজে কম্পিউটার ব্যবহার হচ্ছে যেমন: ছবি দেখা, শব্দ শোনা, যোগাযোগ করা ইত্যাদি। কম্পিউটার শব্দের উৎপত্তি স্থল নিয়ে দুই ধরনের মতবাদ রয়েছে। কেউ বলেছে এটি ল্যাটিন শব্দ Computare থেকে এসেছে। আবার কেউ বলেছে এটি গ্রীক শব্দ Compute থেকে এসেছে। উভয়ের অর্থ দাঁড়ায় গণনাকারী যন্ত্র।
কম্পিউটার কত প্রকার ও কি কি: কম্পিউটারের ধরণ অনুযায়ী একে ৩ ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা: ( ১ ) এনালগ কম্পিউটার ( ২ ) ডিজিটাল কম্পিউটার ( ৩ ) হাইব্রিড কম্পিউটার ইত্যাদি।
( ১ ) এনালগ কম্পিউটার
এই কম্পিউটার শুধু ইনপুট আউটপুট সংশ্লিষ্ট তথ্য নিয়ে কাজ করে। তাপ, বিদ্যুৎ প্রয়োগ করে এই কম্পিউটার সমস্যার সমাধান করে থাকে। এখানে ডাটা প্রক্রিয়াকরণ করা হয় সিগনাল আকারে। বিভিন্ন ধরনের কাজে এনালগ কম্পিউটার ব্যবহার হয় যেমন: ইঞ্জিনিয়ারিং সমস্যা, বৈজ্ঞানিক সমস্যা ইত্যাদি। এনালগ কম্পিউটারের উদাহরণের মধ্যে রয়েছে: গাড়ির জ্বালানি নেওয়ার জন্য ফুয়েল মিটার ব্যবহার, গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্পিড মিটার ব্যবহার, মানুষ বা আবহাওয়ার তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য টেম্পারেচার মিটার ব্যবহার ইত্যাদি। এই সকল মিটারগুলো এনালগ কম্পিউটারের অংশ।
( ২ ) ডিজিটাল কম্পিউটার
আমরা বর্তমানে যত কম্পিউটার ব্যবহার করছি সবগুলো ডিজিটাল কম্পিউটারের আওতাভুক্ত। ডিজিটাল কম্পিউটারের সমস্ত কার্যক্রম বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যদি বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ থাকে তাহলে ১, যদি বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ না থাকে তাহলে ০ বোঝায়। পূর্বের সময়ে ডিজিটাল কম্পিউটার দ্বারা গাণিতিক কাজ যেমন: যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ ইত্যাদি এই সকল কাজ সম্পন্ন করা হলেও বর্তমানে ডিজিটাল কম্পিউটার দ্বারা জটিল থেকে জটিলতর যেকোনো ধরনের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে।
( ৩ ) হাইব্রিড কম্পিউটার
ডিজিটাল ও এনালগ কম্পিউটারের সংমিশ্রণে হাইব্রিড কম্পিউটার তৈরি করা হয়। গবেষণামূলক যেকোনো কাজে এই কম্পিউটার ব্যবহার হয়। এখানে তথ্য সংগ্রহে এনালগ পদ্ধতি ব্যবহার হয় এবং ফলাফল প্রদর্শনে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার হয়। এই যে আবহাওয়া অফিস আবহাওয়া সংক্রান্ত যে তথ্যগুলো দেয় এগুলো হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে দিয়ে থাকে। আবহাওয়া অফিস তথ্য সংগ্রহ ( তাপমাত্রা, বায়ুর চাপ ) করে এনালগ পদ্ধতিতে এবং আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলো প্রচার করে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে।
ডিজিটাল কম্পিউটার কত প্রকার ও কি কি
ব্যবহার, আকার ও আয়তনের উপর ভিত্তি করে ডিজিটাল কম্পিউটারকে ৪ ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে যথা:
- সুপার কম্পিউটার
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার
- মিনি কম্পিউটার
- মাইক্রো কম্পিউটার
( ক ) সুপার কম্পিউটার
- বৈশিষ্ট্য: অত্যন্ত দ্রুত গতি সম্পন্ন এবং শক্তিশালী
- কাজ: সূক্ষ্ম ও জটিল কাজ করতে সক্ষম
- বৈচিত্র বা গুন: আকারের দিক দিয়ে সাধারণ যে কোন কম্পিউটারের চাইতে বড় এবং ক্ষমতার দিক দিয়ে সাধারণত যে কোন কম্পিউটার চাইতে শক্তিশালী।
- ব্যবহার: উন্নত সামরিক সরঞ্জাম যেমন: ড্রোন, মিসাইল, ফাইটার বিমান নিয়ন্ত্রণ এ ব্যবহার হয়। তাছাড়া, মহাকাশ গবেষণা, যেকোনো ধরনের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার অনন্য।
- উদাহরণ: ROADRUNNER, CRAY 1, PLEIADES, Sunway Taihulight, KRAKEN etc. এগুলো সবই সুপার কম্পিউটার।
( খ ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
- বৈশিষ্ট্য: সুপার কম্পিউটারের চেয়ে কম শক্তিশালী।
- বৈচিত্র বা গুন: সাধারণ বা নরমাল কম্পিউটারের চেয়ে মেইনফ্রেম কম্পিউটার সাইজে বড় এবং শক্তিশালী।
- ব্যবহার: অফিস- আদালত, যেকোনো ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান যেমন ব্যাংক, বীমা, লেনদেন সংরক্ষণ, গবেষণাধর্মী কাজে মেইনফ্রেম কম্পিউটার জনপ্রিয়।
- উদাহরণ: IBM 4341, IBM 370, IBM 9100 ইত্যাদি এগুলো সবই মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
( গ ) মিনি কম্পিউটার:
- বৈশিষ্ট্য: সাধারণ কম্পিউটার থেকে বড়, এই কম্পিউটারে টার্মিনাল যুক্ত করে একসঙ্গে ৫০ জন ব্যক্তি ব্যবহারে সক্ষম।
- ব্যবহার: শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, গবেষণা ইত্যাদি তে ব্যবহার।
- উদাহরণ: pdp-11, ibms/36 ইত্যাদি এগুলো সবই মিনি কম্পিউটার।
( ঘ ) মাইক্রো কম্পিউটার
আমরা দৈনন্দিন কাজে যে কম্পিউটার গুলো ব্যবহার করি এগুলো সবই মাইক্রো কম্পিউটার। মাইক্রো কম্পিউটার কে বলা হয় PC বা personal computer. এই পার্সোনাল কম্পিউটার গুলো তৈরি করতে প্রয়োজন হয়: মাদারবোর্ড, হার্ডডিস্ক, প্রসেসর, রম, ram, এসএসডি ইত্যাদি সহ আরো অন্যান্য পার্টস।
মাইক্রো কম্পিউটার এর প্রকারভেদ: মাইক্রো কম্পিউটার কে আবার দুই ভাগে বিভক্ত করা হয় যথা:
- ডেক্সটপ
- ল্যাপটপ
( ঘ.1 ) ডেক্সটপ কম্পিউটার
ডেস্ক ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ টেবিল। টেবিলের উপর রেখে ব্যবহৃত হয় এজন্য একে ডেস্কটপ কম্পিউটার বলে। কিবোর্ড, মাউস, মনিটর, সিপিইউ এর সমন্বয়ে গঠিত। এ গুলো একজন ব্যক্তি বাজেট অনুযায়ী নিজেদের মতো করে তৈরি করে নিতে পারে। এজন্য অনেকের দেখছে কম্পিউটারের প্রতি আকর্ষণ বেশি।
( ঘ.2 ) ল্যাপটপ কম্পিউটার
ল্যাপ ইংরেজী শব্দ যার বাংলা অর্থ কোল। অর্থ্যাৎ, কোলের উপর রেখে ব্যবহার করে বিধায় একে ল্যাপটপ কম্পিউটার বলে। বর্তমানে এই ল্যাপটপ গুলো অনেক জনপ্রিয়। সহজে বহন করা যায়। যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট কানেক্ট করে এই ল্যাপটপ ব্যবহার করা সম্ভব। বিভিন্ন ব্রান্ডের সুন্দর সুন্দর ল্যাপটপ বাজারে পাওয়া যায়। এই ল্যাপটপ গুলোর দাম সর্বনিম্ন ৩০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে লাখ টাকা পর্যন্ত। এই ল্যাপটপের আকর্ষণ হচ্ছে ব্যাটারি। বিদ্যুৎ না থাকলেও এই ল্যাপটপ গুলো চলবে।
এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে পার্থক্য
কম্পিউটার কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি ? এতক্ষণ আমরা জানলাম। এখন আমরা জানব এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে।
এনালগ কম্পিউটারঃ-
- বৈদ্যুতিক সিগনাল এবং পরিবর্তনশীল উপাত্ত নিয়ে কাজ করে বিধায় একে এনালগ কম্পিউটার বলে।
- এটা পদার্থ বিজ্ঞানের নীতি অনুসরণ করে
- যে কোন জটিল বিষয়ের নিখুঁত তথ্য দিতে অক্ষম
- যে কোন এক ধরণের কাজ করতে সক্ষম
- এটা পরিমাপক ব্যবস্থা হিসেবে গণ্য
- এটা এনালগ সিগন্যাল এর উপর নির্ভরশীল
- তথ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণের পর রেজাল্ট পরিদর্শিত হয় মিটারে যেমনঃ- গাড়ির স্পিড মিটার, পেট্রোল পাম্পে ফুয়েল মিটার ইত্যাদি।
ডিজিটাল কম্পিউটারঃ-
- বাইনারী সংখ্যা অর্থ্যাৎ ০ এবং ১ এর উপর ভিত্তি করে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ করে এজন্য একে ডিজিটাল কম্পিউটার বলে।
- এটা গণিতের নীতি অনুসরণ করে।
- যে কোন জটিল বিষয়ের নিখুঁত তথ্য দিতে সক্ষম
- একই সঙ্গে বহু ধরণের কাজ করতে সক্ষম
- এটা সংখ্যাগত ব্যবস্থা হিসেবে গণ্য
- এটা ডিজিটাল সিগন্যাল এর উপর নির্ভরশীল
- তথ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণের পর রেজাল্ট পরিদর্শিত হয় মনিটরে যেমনঃ- কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মনিটর ইত্যাদি।
কম্পিউটার কি কি নিয়ে গঠিত
শুধু কম্পিউটার কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি জানলে হবে না, কম্পিউটার কি কি নিয়ে গঠিত তাও জানতে হবে। বর্তমানে আমাদের জীবন কম্পিউটারের উপর প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে নির্ভরশীল। গেম খেলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরণের অনলাইন ভিত্তিক কাজে আমরা কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি। একটা কম্পিউটারে কি কি পার্টস থাকে তা আমাদের জানা দরকার যথাঃ-
- মাদারবোর্ড ( MOTHER-BOARD )
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট ( CPU )
- হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ ( HDD )
- সলিড স্টেট ড্রাইভ ( SDD )
- র্যানডম এক্সেস মেমোরি ( RAM )
- রিড অনলি মেমোরি ( ROM )
- মনিটর ( MONITOR )
- কম্পিউটার কেস ( COMPUTER CASE )
- কি-বোর্ড ( KEY-BOARD )
- মাউস ( MOUSE )
- ভিডিও কার্ড ( VIDEO CARD )
- অপটিক্যাল ড্রাইভ ( OPTICAL DRIVE )
- প্রিন্টার ( PRINTER )
- পেন-ড্রাইভ ( PEN DRIVE )
পিসি এর পূর্ণরূপ কি
অনেকে আমরা কম্পিউটার কে পিসি ( PC ) বলে সম্বোধন করি। PC এর পূর্ণরুপ হলোঃ- PERSONAL COMPUTER. এই কম্পিউটার গুলো আপনি আপনার নিজস্ব বাজেট অনুযায়ী তৈরি করে নিতে পারবেন। PERSONAL COMPUTER বলতে ব্যাক্তিগত কম্পিউটার কে বোঝায়। এই কম্পিউটারের মাধ্যমে আপনার ব্যাক্তিগত কাজ থেকে নিয়ে অফিসিয়াল কাজ পর্যন্ত সবই করতে পারবেন।
কম্পিউটার এর কাজ কি
আপনারা অনেকে প্রশ্ন করেছেন কম্পিউটার এর কাজ কি ? কম্পিউটারের কাজ কে ৪ ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথাঃ-
Input Devices: ইনপুট ডিভাইস এর মাধ্যমে কম্পিউটারের কাছে ডেটা পাঠানো হয়। ইনপুট ডিভাইস ছাড়া কম্পিউটার ডেটা সংগ্রহ করতে পারে না। ইনপুট ডিভাইস এর মধ্যে রয়েছে যেমনঃ- মাউস, কি-বোর্ড, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার ইত্যাদি। কম্পিউটারের প্রথম কাজ তথ্য বা উপাত্ত সংগ্রহ।
Output Devices: আউটপুট ডিভাইস এর মাধ্যমে প্রক্রিয়াকৃত ডেটা ব্যবহারকারীরা দেখতে পারে এবং বুঝতে পারে। আউটপুট ডিভাইস এর মধ্যে রয়েছে যেমনঃ- প্রিন্টার, মনিটর ইত্যাদি।
CPU: এটা হচ্ছে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মাথা। আপনি যে ডেটা কম্পিউটারে পাঠিয়েছেন তা প্রক্রিয়াকরণের কাজ CPU করে থাকে।
আরো পড়ুনঃ- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুবিধা অসুবিধা - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক কে
Storage: স্টোরেজ মানে সংরক্ষণ। এখানে কম্পিউটার হার্ডডিস্ক, এসএসডি এর মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা সংরক্ষন করে থাকে। ব্যবহারকারীরা তাদের যে কোন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস স্টোরেজ এ সংরক্ষণ করে থাকে।
কম্পিউটারের ব্যবহারঃ- পূর্বে শুধু গাণিতিক সমস্যা নিরুপন করা এবং তা সমাধানের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার হলেও বর্তমানে কম্পিউটারের ব্যবহার ব্যাপক। বর্তমান বিমান উড্ডয়ন, মিসাইল বা ড্রোন নিক্ষেপ, মহাকাশ গবেষণা, যুদ্ধ পরিচালনা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন, ব্যবসা-বানিজ্য-শিল্প, যোগাযোগ, বিনোদন, গবেষণা সব ক্ষেত্রে কম্পিউটারের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
কম্পিউটার কি ধরনের যন্ত্র
কম্পিউটার হচ্ছে গণনাকারী ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্র। ইহা তথ্য বা উপাত্ত সংগ্রহ করে - এরপর তা প্রসেসিং করে - আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে প্রদর্শন করে - সর্বশেষ আপনার ডেটা স্টোরেজ বা সংরক্ষণ করে রাখে।
শেষ কথাঃ কম্পিউটার কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি
সম্মানিত পাঠকবৃন্দ আমি এই আর্টিকেলে কম্পিউটার কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি আর্টিকেলটি পড়ে আপনার আর কোন সন্দেহ থাকার কথা নয়। এই ধরণের প্রশ্ন প্রায় বোর্ড এক্সামসহ অন্যান্য পরীক্ষায় এসে থাকে।
প্রযুক্তি রিলেটেড এই ধরণের সুন্দর সুন্দর ব্লগ আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন। ভবিষ্যৎতে প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল আপনি এই ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন। সকলের মঙ্গল কামনা করে এখানে শেষ করছি। 19.05.2026

আপনি পদ্মা মেইলের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url