ম্যালওয়্যার কত প্রকার ও কি কি জেনে নিন
ম্যালওয়্যার কত প্রকার ও কি কি এই আর্টিকেল থেকে জানতে পারবেন। আপনারা যারা টেকনোলজির সাথে অতপ্রতভাবে জড়িত তারা সকলে ম্যালওয়্যার শব্দের সাথে পরিচিত।
পোস্টসূচিপত্র:ম্যালওয়্যার একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যার দ্বারা কোনো একটি ডিভাইসের উপর নজরদারি অথবা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়। চলুন তাহলে আর বিলম্ব না করে ম্যালওয়্যার কত প্রকার ও কি কি তা জেনে নেওয়া যাক।
ম্যালওয়্যার কত প্রকার ও কি কি
ম্যালওয়্যার কত প্রকার ও কি কি তা জানা থাকলে আপনার ডিভাইস কেউ ট্র্যাক করছে কিনা তা আন্দাজ করতে পারবেন। বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার প্রোগ্রাম রয়েছে যার মধ্যে সব থেকে বেশি বিপদজনক হলো: এডওয়্যার, ভাইরাস, ট্রোজান, স্পাইওয়্যার, Scareware ইত্যাদি। আমরা এখন প্রত্যেক ম্যালওয়্যার এর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানব।
Worms: এই ম্যালওয়্যারটির বৈশিষ্ট্য হল: এটা আপনার ডিভাইসে প্রবেশ করে আপনার ডাটা গুলোকে কপি করতে থাকবে। উদাহরণস্বরূপ, ধরুন আপনার ডিভাইসে ১ টা ফাইল আছে, Worms ম্যালওয়্যারটি কপি করে সেটা ১০০ টা ফাইলে কনভার্ট করবে। এর ফলে আপনার ডিভাইসটি ধীরে ধীরে কাজ করবে।
Keylogger: একজন ব্যবহারকারী তার ডিভাইসে কি টাইপ করছে, কোথায় ইমেইল পাঠাচ্ছে, কার সাথে যোগাযোগ করছে, তার ডিভাইসে কি কি প্রোগ্রাম ব্যবহার করছে ইত্যাদি বিষয়গুলো Keylogger ম্যালওয়ার দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
ট্রোজনঃ- এটা হচ্ছে ছদ্দবেশী বৈধ সফটওয়্যার প্রোগ্রাম। কিন্তু এর মধ্যে কিছু ক্ষতিকর কোড রয়েছে। আপনি যখন ইন্টারনেট থেকে বৈধ সফটওয়্যার মনে করে এটা ইন্সটল করবেন তখন এটা পুরোপুরি আপনার ডিভাইসকে নিয়ন্ত্রণে নিবে। ফলে, এটা আপনার যাবতীয় ডাটা সমূহ এডিট, মডিফাই, ডিলিট
করতে সক্ষম। এমনকি এটা আপনার ব্রাউজারে সেভ করা গোপন পাসওয়ার্ড চুরি করে নিতে সক্ষম। আমরা অনেক সময় ইন্টারনেট থেকে গেম ডাউনলোড করে থাকি, ট্রোজন ম্যালওয়্যার গেমের রূপ ধরে আপনার ডিভাইসে প্রবেশ করে। এভাবে মূলত এই ম্যালওয়্যার টি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
Ransomware: এটা একটি জঘন্য এবং মারাত্মক ম্যালওয়্যার। এই ম্যালওয়্যারটি কিডন্যাপকারীদের মত কাজ করে। কিডন্যাপকারীরা যেমন মুক্তিপণ দাবি করে অনুরূপভাবে Ransomware এই ম্যালওয়্যারটি মুক্তিপণ দাবি করে থাকে। এই ম্যালওয়্যারটি অজান্তে আপনার ডিভাইসে প্রবেশ করবে, এরপর আপনার ডিভাইসে থাকার গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো ব্লক করে দিবে।
এরপর সেই ফাইলগুলো আনব্লক করার জন্য হ্যাকাররা আপনার কাছ থেকে মুক্তিপণ চাইবে। আপনি যদি মুক্তিপণ দিতে না চান তাহলে আপনি ওই ফাইলগুলোতে আর কখনো প্রবেশ করতে পারবেন না। অনেক সময় এটা এমন ভয়ঙ্কর ভাবে আনলক করে দেয় যে, অন্য কোন সিস্টেম অবলম্বন করে পুনরায় প্রবেশ করা সম্ভব না।
কম্পিউটার ভাইরাস: শরীরের জন্য যেমন ভাইরাস জ্বর মারাত্মক অনুরূপভাবে কম্পিউটারের জন্য ভাইরাস ক্ষতিকর। এই ভাইরাসগুলো ক্ষতিকর প্রোগ্রাম দিয়ে তৈরি করা হয়। যখন কেউ ওই ভাইরাস সম্বলিত সফটওয়্যার ইন্সটল করবে সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে যায়। আর এর সব থেকে বিপদজনক দিক হলো একটি ভাইরাস তার অনুরূপ আরো একাধিক ভাইরাস তৈরি করতে
সক্ষম। এই ভাইরাসগুলো পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ এবং অকেজো করে দিতে পারে। বিভিন্নভাবে কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে যেমন: ইন্টারনেট থেকে কোন কিছু ডাউনলোড, সফটওয়্যার ইন্সটল, ইউএসবি ড্রাইভ সহ আরো অনেকভাবে কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়িয়ে যেতে পারে। এই ভাইরাস গুলো কম্পিউটারে নির্দিষ্ট জায়গায় থাকে না, এগুলো আপনা আপনি বিভিন্ন জায়গায়
ছড়িয়ে পড়ে। ফলে এগুলোর বর্তমান লোকেশন ট্র্যাক করা কঠিন হয়ে পড়ে। একটু আগে বললাম এই ভাইরাস গুলো নিজের মত সিমিলার ( একই ) ভাইরাস তৈরি করতে সক্ষম। এ ভাইরাসগুলো আপনার কম্পিউটারে যতগুলো ফাইল রয়েছে তা ধ্বংস করার পাশাপাশি আপনার কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত যতগুলো কম্পিউটার রয়েছে সব জায়গাতে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম।
এডওয়্যার: বর্তমানে ডিভাইসের জন্য সব থেকে বিপদজনক ম্যালওয়্যার হলো এডওয়্যার। এডওয়্যার বলতে সমষ্টিবদ্ধ সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন কে বুঝায়। এডওয়্যার এর কারণে আপনার ডিভাইসে অযাচিত বিজ্ঞাপন গুলো আসতে থাকে। আমরা ইন্টারনেট থেকে কোন অ্যাপ ডাউনলোড বা সার্ভিস নিয়ে থাকলে সেখানে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন গুলো দেখায়, যেটাকে আমরা স্বাভাবিক হিসেবে গ্রহণ
করেছি। মূলত আপনি না চাইতেই এই বিজ্ঞাপন গুলো আপনাকে দেখানো হচ্ছে। এর ফলে কম্পিউটার স্লো কাজ করে, কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায়। মূলত আপনার ডিভাইসের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে আপনার ব্রাউজিং সিস্টেম ট্র্যাক করা হয়।
Botnet: এই ম্যালওয়ারটি একই সঙ্গে একাধিক ডিভাইসকে আক্রান্ত করতে পারে। ফলে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্প্যাম ইমেইল পাঠানো, ভুয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা করে তুলতে সক্ষম। এই পুরো সিস্টেমটা নিয়ন্ত্রণ করে হ্যাকাররা কিন্তু ডিভাইস ব্যবহারকারীরা এটাকে আসল মনে করে।
Spyware: এর মাধ্যমে একটি ডিভাইসে ব্যবহারকারীর কার্যক্রম গুলো গোপনে অডিট করা হয়। যেমন: আপনি ইন্টারনেটে কি কি লিখে সার্চ করছেন, কি টাইপিং করছেন, আপনার ডিভাইসে কোন ধরনের ডাটা রেকর্ড করা আছে, অডিও এবং ভিডিও রেকর্ডিং সহ যাবতীয় কিছু দূর থেকে পর্যালোচনা করা হয়। যা একজন ব্যবহারকারী কল্পনার বাহিরে। ব্যবহারকারী শুধু এতোটুকু মনে করে যে আমার ডিভাইস
আমার নিয়ন্ত্রণে। Spyware ম্যালওয়্যার এর মাধ্যমে আপনার ডিভাইস এর গুরুত্বপূর্ণ ছবিগুলো, ইমেইল, ব্যাংক ইনফরমেশন হ্যাকারদের নিকট চলে যায়। Spyware গুলো ডিভাইসে প্রবেশ করে যখন আপনি ইন্টারনেট থেকে কোন কিছু ডাউনলোড করবেন তখন।
ম্যালওয়্যার কি
Malware যাকে সংক্ষেপে Malicious Software বলা হয়। Malicious যারা বাংলা অর্থ দূষিত। অর্থাৎ, Malicious Software এর বাংলা অর্থ হল দূষিত সফটওয়্যার। এই দূষিত সফটওয়্যার দিয়ে হ্যাকাররা আপনার ডিভাইস, নেটওয়ার্ক, কম্পিউটারের ক্ষতিসাধন করে। এটা এতটাই ভয়ংকর প্রোগ্রাম যা বিনা অনুমতিতে অন্যের ডিভাইসে প্রবেশ করে এবং সেখানে গিয়ে অন্যের উপর নজরদারি করা, সিস্টেমের
ক্ষতি করা, নিয়ন্ত্রণ করা, ডেটা নষ্ট করা, সংবেদনশীল তথ্য ডিলিট করা, ব্যাংক ইনফরমেশন চুরি, ফাইল লক করে দেওয়া, পুরো কম্পিউটার সিস্টেম হাইজ্যাক করা সহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কাজ করতে সক্ষম। ম্যালওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে যেমন: সফটওয়্যার, গোপন কোড, প্রোগ্রাম ইত্যাদি।
ম্যালওয়্যার এর কাজ কি
ম্যালওয়্যার এর কাজ কি আমাদের জানা প্রয়োজন। একজন ব্যক্তি কখনো সরাসরি আরজনের ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। আরেকজনের ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষতিসাধন করতে তারা ম্যালওয়্যার এর আশ্রয় নেয়। এই ম্যালওয়্যার এর মাধ্যমে পুরো ডিভাইস এবং নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে সংক্রমিত করা হয়। মূলত অন্যের গোপন তথ্য গুলো জালিয়াতি করা, ডেটা চুরির উদ্দেশ্যে এ কাজগুলো করে থাকে। এই ম্যালওয়্যার গুলো বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে কাজের উপর ভিত্তি করে।
কি কাজ, কোন উদ্দেশ্য এটার উপর ভিত্তি করে হ্যাকাররা এই ম্যালওয়্যার তৈরি করে। সব গুলো ম্যালওয়্যার এর বৈশিষ্ট্য এক রকম না। কাজ এবং উদ্দেশ্য এর উপর ভিত্তি করে ম্যালওয়্যার গুলো ভিন্ন রকম হয়ে থাকে। কোন কোন ম্যালওয়্যার এর ক্ষতির মাত্রা বেশি আবার কোন কোন ম্যালওয়্যার এর ক্ষতির মাত্রা কম। অবৈধ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য পুরো সিস্টেমকে হাইজ্যাক করা ম্যালওয়্যার এর কাজ।
ম্যালওয়্যার কিভাবে কাজ করে
ম্যালওয়্যার কিভাবে কাজ করে অনেকে জানে না। ম্যালওয়্যার অত্যন্ত সুক্ষভাবে কাজ করে ব্যবহারকারীর অজান্তে। নিম্নোক্ত কয়েকভাবে ম্যালওয়্যার কাজ করে যেমন:
- আমরা যে সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমগুলো ব্যবহার করি সেগুলোতে কোন না কোন ত্রুটি থাকে, আর হ্যাকাররা সেই সুযোগটি কাজে লাগে। ডেভলপাররা তাদের সফটওয়্যার বা সিস্টেমের ত্রুটি দূর করার জন্য আপডেট করে। আপনি যদি সেই সফটওয়্যার বা সিস্টেমটা আপডেট না করেন, তাহলে হ্যাকাররা ম্যালওয়্যার ঢুকিয়ে ডিভাইসের গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন গুলোর ক্ষতি সাধন করে।
- অনেক সময় আমাদের ডিভাইসে অপরিচিত সোর্স থেকে সুন্দর সুন্দর বার্তা দিয়ে আকর্ষণীয় ইমেইল বা লিংক আসে। হতে পারে আপনি যখন সে ইমেইল বা লিংক ওপেন করছেন সঙ্গে সঙ্গে আপনার ডিভাইসে ম্যালওয়্যার নিজ হতে ইন্সটল হয়ে যাচ্ছে।
- আমরা আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন প্রয়োজন মিটানোর জন্য বিভিন্ন আন-অফিসিয়াল সোর্স থেকে সফটওয়্যার ডাউনলোড করে থাকি। ডিভাইসে ম্যালওয়্যার প্রবেশের সব থেকে কার্যকর উপায় হলো: অ-বিশ্বস্ত সোর্স থেকে সফটওয়্যার ডাউনলোড।
- হ্যাকাররা অন্যের ডিভাইসে ম্যালওয়্যার প্রবেশ করানোর জন্য ভার্চুয়াল এবং শারীরিক মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে যেমন: ইউএসবি ড্রাইভ। এর মাধ্যমে সহজে আরেকটি ডিভাইসকে সংক্রমিত করা যায়।
- পাবলিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক বা অনিরাপদ USB ডিভাইস ব্যবহার করার কারণে ম্যালওয়্যার ছড়াতে পারে।
ম্যালওয়্যার থেকে বাঁচার উপায় - ম্যালওয়্যার থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার উপায়
এতক্ষণ আমরা জানলাম ম্যালওয়্যার কত প্রকার ও কি কি। এখন আমরা জানবো ম্যালওয়্যার থেকে বাঁচার উপায় বা ম্যালওয়্যার থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার উপায় সম্পর্কে। নিজের ব্যক্তিগত কম্পিউটার থেকে শুরু করে বড় বড় কোম্পানি পর্যন্ত আতঙ্কের এক ভয়ংকর নাম হল: ম্যালওয়্যার। যারা প্রযুক্তি সচেতন ব্যক্তি তারা ম্যালওয়্যার নিয়ে চিন্তিত। কিছু কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে আপনি এই ম্যালওয়্যার থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন।
- নিজের ব্যবহৃত ডিভাইস ( কম্পিউটার, মোবাইল ) এর অপারেটিং সিস্টেম সব সময় আপডেট রাখুন এবং অটো - আপডেট চালু করে রাখুন।
- এই ভয়ংকর ম্যালওয়্যার গুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সিকিউরিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। সিকিউরিটি সফটওয়্যার এর মধ্যে রয়েছে যেমন: Norton, Kaspersky, Eset ইত্যাদি।
- হ্যাকারদের প্রতারণার ফাঁদগুলো ধরতে পারাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য নিজেকে কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোন আনঅফিসিয়াল সোর্স থেকে মেইল, ফাইল, লিংক আসলে তা ওপেন করার পূর্বে সতর্কতা অবলম্বন করুন। এমনও হতে পারে ওই ফাইল, মেইল, লিংক ওপেন করার সাথে সাথে আপনার ডিভাইসে ম্যালওয়্যার চলে আসছে। আপনি কোন কোন জায়গায় পাসওয়ার্ড বা ইমেইল দিয়ে সাইন আপ করছেন তা খেয়াল রাখবেন।
- আমরা ইন্টারনেটের বিভিন্ন আন অফিসিয়াল সাইট থেকে যে সফটওয়্যার বা ফাইল গুলো ইন্সটল বা ডাউনলোড করি এটা ঠিক নয়। অবশ্যই বিশ্বস্ত যেকোনো মাধ্যমগুলো থেকে ইন্সটল বা ডাউনলোড করার চেষ্টা করবেন। ডাউনলোড কৃত যেকোনো ফাইল ওপেন করার পূর্বে স্ক্যান করা জরুরী। এত ম্যালওয়্যার প্রবেশ করতে পারে না।
- ম্যালওয়্যার থেকে বাঁচতে অ্যান্টি ম্যালওয়্যার বা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করতে পারেন। এই সফটওয়্যার গুলোর অটো আপডেট অন করে রাখবেন।
- বিভিন্ন ক্যারেক্টার ( A, r, 1, $ / ) সম্বলিত পাসওয়ার্ড তৈরি করবেন তাহলে আপনার পাসওয়ার্ড গুলো শক্তিশালী হবে। এই পাসওয়ার্ড গুলো কিছুদিন পর পর পরিবর্তন করবেন।
- পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহারের পূর্বে ভিপিএন ব্যবহার করুন।
- আপনার ডিভাইসের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টসগুলো ব্যাকআপ করে রাখুন।
- কোন অশ্লীল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন না। এর মাধ্যমে মারাত্মকভাবে ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে পড়ে।
- পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার পরিহার করুন এবং ফায়ারওয়্যাল ব্যবহার করলে ভালো হয়।
ম্যালওয়্যার কি ধরনের সফটওয়্যার
অনেকে জানতে চেয়েছেন ম্যালওয়্যার কি ধরনের সফটওয়্যার ? ম্যালওয়্যার হচ্ছে Malicious Software অর্থাৎ দূষিত সফটওয়্যার। এর মধ্যে লুকানো থাকে ভয়ংকর সফটওয়্যার, কোড, প্রোগ্রাম ইত্যাদি। যার মাধ্যমে অন্যের ব্যবহৃত ডিভাইসকে পুরোপুরি হাইজ্যাক করা হয়।
ম্যালওয়্যার এর প্রকারভেদ
ম্যালওয়্যার এর সুনির্দিষ্ট কোন প্রকারভেদ নেই। এটা মূলত কাজ এবং উদ্দেশ্যের উপর ভিত্তি করে হ্যাকাররা এটা তৈরি করে থাকে। যে সকল ম্যালওয়্যার গুলোর সাথে আমরা সর্বাধিক পরিচিত সেগুলো হলো:
- Ransomware
- Botnet
- ট্রোজন
- Worms
- এডওয়্যার
- Keylogger
- কম্পিউটার ভাইরাস
- Spyware
- Rootkit
ক্ষতিকর সফটওয়্যার কি
যে সফটওয়্যার গুলো অন্যের ডিভাইসের প্রতি সাধনের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে সেগুলোকে সাধারণ ভাষায় ক্ষতিকর সফটওয়্যার বলে। ক্ষতিকর সফটওয়্যারকে ইংরেজিতে Malicious Software বলে, যাকে সংক্ষেপে ম্যালওয়্যার বলা হয়। এই সফটওয়্যার গুলো কম্পিউটারের স্বাভাবিক কার্যক্রম গুলোকে
বাধাগ্রস্থ করে, অবৈধ অনুপ্রবেশের পথ সুপ্রশস্ত করে, প্রাইভেসি লঙ্ঘনের মত গুরুতর অপরাধমূলক কাজ এই ক্ষতিকর সফটওয়্যার এর মাধ্যমে করা হয়। ম্যালওয়্যার শব্দটির প্রথম ব্যবহার করেন Yisrael Radai, সময়কাল তখন ১৯৯০ সাল।
শেষ মন্তব্য: ম্যালওয়্যার কত প্রকার ও কি কি
সম্মানিত পাঠকবৃন্দ, আমি এই আর্টিকেলে ম্যালওয়্যার কত প্রকার ও কি কি সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। আমি আশা করি এই আর্টিকেলটি পড়ার পর আপনি ম্যালওয়্যার সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা ইতিমধ্যে পেয়ে গেছেন।
ম্যালওয়্যার কীভাবে আপনার ক্ষতি করতে পারে এবং এর থেকে মুক্তির উপায় কি সে বিষয়ে আমি বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। প্রযুক্তি বিষয়ক এ ধরনের সুন্দর সুন্দর ব্লগ আর্টিকেলগুলো আরো পেতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করার অনুরোধ রইলো। সকলের মঙ্গল ও সুস্থতা কামনা করে আজ এখানেই শেষ করছি। 01.06.2026



আপনি পদ্মা মেইলের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url